‘সব ভোটারকে বেরোতে হবে’, কলকাতা পুলিশ ও ডিজি-কে জরুরি তলব মনোজ আগরওয়ালের!

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এবার খাস কলকাতার অভিজাত আবাসন ও রাজ্যের বড় গেটেড কমপ্লেক্সগুলিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তার ছক কষল নির্বাচন কমিশন। খোদ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল রাজ্যের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে কড়া নির্দেশ পাঠিয়েছেন। এবারের লড়াই শুধু বুথে নয়, ভোটারের দরজায় পৌঁছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন।

হাইরাইজে এবার কেন্দ্রীয় নজরদারি
কমিশনের নির্দেশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় যে জেলাগুলিতে ভোট রয়েছে, সেখানকার প্রতিটি হাইরাইজ বিল্ডিং এবং গেটেড কমপ্লেক্সের প্রবেশপথে অবিলম্বে মোতায়েন করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী (CRPF) ও রাজ্য পুলিশ। মূলত শহরতলির বড় আবাসনগুলোতে ভোটারদের ভয় দেখানো বা বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতেই এই কড়া পদক্ষেপ।

মাইকিং ও ‘পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম’
শুধুমাত্র দাঁড়িয়ে থাকা নয়, নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে থাকবে বিশেষ ঘোষণা করার যন্ত্র বা পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী:

বাহিনীর জওয়ানরা মাইকিং করে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে যাওয়ার আহ্বান জানাবেন।

ভোটারদের মনে আস্থা ফেরাতে ক্রমাগত প্রচার চালানো হবে।

আবাসনের গেটে কড়া স্ক্রিনিং করা হবে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

‘Election Urgent’ বার্তা মনোজ আগরওয়ালের
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এই নির্দেশিকাকে অত্যন্ত জরুরি বা “Election Urgent” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। পুলিশকে দেওয়া বার্তায় তিনি সাফ জানিয়েছেন:

“সব ভোটার যেন ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে কমিশন সবসময় তাঁদের পাশে রয়েছে। প্রতিটি পদক্ষেপ এখনই কার্যকর করতে হবে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সময় বড় আবাসনের ভেতরে নিভৃতে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠে। কমিশনের এই নির্দেশের পর হাইরাইজের অন্দরমহল থেকে ভোটারদের বের করে আনা এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

Saheli Saha
  • Saheli Saha