চুল রঙ করতে গিয়ে কপালে দাগ? ঘাবড়াবেন না! ২ মিনিটেই জেদি রঙ তোলার ৪টি জাদুকরী ঘরোয়া উপায়

স্টাইলিশ লুক পেতে চুলে রঙ তো করলেন, কিন্তু কপাল, কান বা গলার পাশের কালো দাগগুলো কি আপনার লুক নষ্ট করে দিচ্ছে? হেয়ার ডাই-এর কেমিক্যাল স্টেইন শুধু জল বা সাবানে উঠতে চায় না। তবে চিন্তার কারণ নেই, আপনার ঘরের তাকে থাকা সামান্য কিছু উপকরণ দিয়েই মাত্র ২ মিনিটে এই জেদি দাগ দূর করা সম্ভব।
১. বেবি অয়েল বা নারকেল তেলের ম্যাজিক:
ত্বকের দাগ তোলার সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো তেল। একটি তুলোর বলে সামান্য বেবি অয়েল বা নারকেল তেল নিয়ে রঙ লাগা জায়গায় ১-২ মিনিট হালকা হাতে ঘষুন। তেল রঙকে নরম করে দেয়, ফলে খুব সহজেই দাগ উঠে আসে। এরপর হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
২. পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভ্যাসলিন:
যাঁদের ত্বক খুব সংবেদনশীল, তাঁদের জন্য ভ্যাসলিন সেরা। রঙ লাগার সাথে সাথেই ভ্যাসলিন লাগিয়ে ৩০ সেকেন্ড মালিশ করুন। দাগ খুব বেশি হলে ২-৩ বার এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে ত্বক একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৩. মেকআপ রিমুভার (মাইসেলার ওয়াটার):
মেকআপ তোলার জন্য ব্যবহৃত মাইসেলার ওয়াটার চুলের রঙের দাগ তুলতেও দারুণ কার্যকর। তুলো ভিজিয়ে আলতো করে মুছে নিন। এতে ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় থাকে আর দাগও উধাও হয়।
৪. বেকিং সোডা ও শ্যাম্পুর পেস্ট:
মাথার ত্বকে বা কপালে খুব জেদি দাগ বসে গেলে সামান্য বেকিং সোডার সাথে একটু শ্যাম্পু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ১ মিনিট চক্রাকারে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। বেকিং সোডা প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে দাগ তুলে দেয়।
সতর্কতা: কী করবেন না?
দাগ তোলার তাড়নায় ভুলেও নেল পলিশ রিমুভার, অ্যালকোহল বা ব্লিচ ত্বকে লাগাবেন না। এতে মারাত্মক জ্বালা ভাব বা র্যাশ হতে পারে।
ভবিষ্যতের জন্য প্রো-টিপস:
পরের বার চুলে রঙ করার অন্তত ১০ মিনিট আগে কপাল, কানের পাশ এবং গলার চারপাশে ভ্যাসলিন বা নারকেল তেলের একটি আস্তরণ লাগিয়ে নিন। এর ফলে রঙ লাগলেও তা ত্বকের গভীরে বসতে পারবে না এবং সহজেই মুছে ফেলা যাবে।