বাংলায় কি তবে শান্তিতেই মিটল ভোট? প্রথম দফা নিয়ে বড় ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের, বড় আপডেট এল দিল্লি থেকে!

বাংলার হাইভোল্টেজ প্রথম দফার ভোট মিটেছে ২৪ ঘণ্টা আগে। বুথে বুথে লম্বা লাইন আর ৯০ শতাংশের ওপর রেকর্ড ভোটদান নিয়ে যখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে, ঠিক তখনই বড় আপডেট দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাংলার প্রথম দফার কোনো বুথেই পুনর্নির্বাচন বা ‘স্ক্রুটিনি’র পর পুনভোটের প্রয়োজন নেই।
কী জানাল কমিশন?
প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬টি জেলার মোট ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছিলেন, কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া ভোট মূলত শান্তিপূর্ণই ছিল। এদিন কমিশন সরকারিভাবে সিলমোহর দিয়ে জানাল যে, বাংলার ৪৪ হাজার ৩৭৬টি ভোটকেন্দ্রের কোনোটিতেই বড় ধরনের কারচুপি বা অশান্তির কারণে ভোট বাতিলের সুপারিশ করা হয়নি।
একই চিত্র তামিলনাড়ুতেও:
বাংলার পাশাপাশি গতকাল তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনেও ভোটগ্রহণ হয়েছিল। দক্ষিণের এই রাজ্যে মোট ৭৫ হাজার ৬৪টি বুথ ছিল। কমিশন জানিয়েছে, সেখানেও কোনো বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে না। অবাধ ও স্বচ্ছ ভোটদান প্রক্রিয়ায় কমিশনের কড়া নজরদারি সফল হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
কঠোর নজরদারির সুফল:
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, বুথ জ্যাম বা ছাপ্পা রুখতে প্রতিটি বুথ সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হবে। সেই নির্দেশিকা মেনেই এবার প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। বীরভূমের লাভপুর বা খয়রাশোল এবং মুর্শিদাবাদের নওদাতে কিছু উত্তেজনার ছবি সামনে এলেও, বুথ দখল বা ছাপ্পা ভোটের মতো গুরুতর কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
স্বস্তিতে সব পক্ষ:
ভোটের দিন শেষে অশান্তির অভিযোগ থাকলেও, ভোটদানের হার দেখে সব রাজনৈতিক দলই সন্তোষ প্রকাশ করেছে। কোনো বুথে পুনর্নির্বাচন না হওয়ার অর্থ হলো—প্রথম দফার রায় এখন সম্পূর্ণভাবে ইভিএম-এ বন্দি এবং তা চূড়ান্ত। নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণায় আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে যুযুধান সব পক্ষই।