২০ লক্ষ থেকে সোজা ১১ কোটি! লখনউয়ের ‘স্পিড স্টার’ মায়াঙ্ক যাদবের মোট সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

বাইশ গজে তাঁর বলের গতি যেমন ব্যাটসম্যানদের স্টাম্প উড়িয়ে দেয়, তেমনই তাঁর আর্থিক উত্থানের গতিও হার মানাবে যে কাউকে। ভারতীয় ক্রিকেটের নয়া ‘গতিদানব’ মায়াঙ্ক যাদব এখন কেবল মাঠেই নয়, আয়ের দৌড়েও রীতিমতো লম্বা রেসের ঘোড়া। ২০২৬ সালের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র কয়েক বছরেই তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক ১১ কোটি থেকে ২০ কোটি টাকার মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
আইপিএল চুক্তিতে মিরাকল:
মায়াঙ্ক যাদবের এই রাজকীয় আর্থিক সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো আইপিএল। ২০২২ সালে লখনউ সুপার জায়ান্টস (LSG) তাঁকে মাত্র ২০ লক্ষ টাকায় দলে নিয়েছিল। কিন্তু গতি আর সুইংয়ের জাদুতে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের এমনভাবে মুগ্ধ করেছেন যে, সাম্প্রতিক মরশুমগুলিতে তাঁর দর আকাশ ছুঁয়ে দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি টাকা। মাত্র কয়েক মরশুমের ব্যবধানে তাঁর পারিশ্রমিক বেড়েছে অভাবনীয় হারে।
আয়ের অন্যান্য উৎস:
কেবল আইপিএল নয়, মায়াঙ্ক যাদবের আয়ের ঝুলিতে রয়েছে আরও অনেক কিছু:
ঘরোয়া ক্রিকেট: রঞ্জি ট্রফি ও অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্ট থেকে মোটা অঙ্কের ম্যাচ ফি পান তিনি।
ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট: বর্তমানে এনডোর্সমেন্টের সংখ্যা কম হলেও, বিশেষজ্ঞরা বলছেন যেভাবে তিনি জাতীয় দলের রাডারে আছেন, তাতে খুব দ্রুতই বড় বড় ব্র্যান্ড তাঁর দরজায় কড়া নাড়বে।
সাধারণ জীবনযাপন, অসাধারণ প্রতিভা:
কোটি কোটি টাকার মালিক হলেও মায়াঙ্ক এখনও মাটির কাছাকাছি থাকতেই পছন্দ করেন। অন্য অনেক প্রতিষ্ঠিত তারকার মতো এখনই বিলাসবহুল গাড়ি বা রাজকীয় প্রাসাদের আতিশয্যে গা ভাসাননি তিনি। তবে চোট সারিয়ে মাঠে তাঁর শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন তাঁর ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং সম্পত্তি—উভয়কেই যে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে, তা নিয়ে নিশ্চিত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।
ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা:
কেরিয়ারের শুরুতেই মায়াঙ্ক যে আর্থিক সাফল্য পেয়েছেন, তা অনেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের কাছেও স্বপ্নের মতো। ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে বিসিসিআই-এর কেন্দ্রীয় চুক্তি এবং আইপিএলের আগামী মেগা নিলামে তাঁর দর যে সব রেকর্ড ভেঙে দেবে, তার ইঙ্গিত এখন থেকেই পাওয়া যাচ্ছে।