আমেরিকার শুল্ক বাধা তুচ্ছ! ৩.১৬ লক্ষ কোটি টাকার বস্ত্র রপ্তানি করে বিশ্ববাজারে রেকর্ড গড়ল ভারত

বিশ্ব বাণিজ্যের প্রতিকূল হাওয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী বাজারের উচ্চ শুল্ক— কোনো কিছুই দমাতে পারল না ভারতের বস্ত্র শিল্পকে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশের বস্ত্র রপ্তানি খাত এক অভাবনীয় স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করেছে। বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মোট রপ্তানি গত বছরের ৩.০৯ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ৩.১৬ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

মার্কিন শুল্ককে বুড়ো আঙুল
২০২৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর পর্যায়ক্রমে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিল, যা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জারি ছিল। কিন্তু এই বিশাল চাপের মুখেও দমে যাননি ভারতীয় রপ্তানিকারকরা। বরং তাঁরা কৌশলী হয়ে নতুন নতুন বাজারে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করেছেন।

বিশ্বজুড়ে ‘ইন্ডিয়ান ফ্যাব্রিক’-এর দাপট
২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভারত বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে তাদের রপ্তানি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

উদীয়মান বাজার: সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ব্রিটেন, জার্মানি, স্পেন এবং জাপানের পাশাপাশি মিশর ও নাইজেরিয়ার মতো দেশেও ভারতীয় বস্ত্রের চাহিদা তুঙ্গে।

বিস্ময়কর প্রবৃদ্ধি: আফ্রিকান দেশ সুদানে ভারতীয় বস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ২০০ শতাংশেরও বেশি, যা এক কথায় অবিশ্বাস্য।

কোন বিভাগে কত সাফল্য?
তৈরি পোশাক (RMG): রপ্তানিতে সবথেকে বড় অবদান এই খাতের। ২.৯ শতাংশ বৃদ্ধিসহ এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.৩৯ লক্ষ কোটি টাকা।

হস্তশিল্প: কার্পেট বাদে হস্তশিল্প বিভাগে সবথেকে দ্রুত ৬.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গিয়েছে।

কৃত্রিম তন্তু: কৃত্রিম তন্তু ও সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলিতে ৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে।