“আমার হাত থেকে সব ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে!” কেন হঠাৎ এত ক্ষুব্ধ মমতা? ভোটের মুখে বড় ‘বদলা’র হুঁশিয়ারি!

২০২৬-এর হাইভোল্টেজ নির্বাচনের ঠিক মুখে এবার সরাসরি রণংদেহি মেজাজে ধরা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশাসনিক ক্ষমতা এবং সরকারের ওপর ক্রমাগত ‘অত্যাচার’ করা হচ্ছে—এই অভিযোগ তুলে এদিন প্রকাশ্য জনসভা থেকে সরাসরি ‘বদলা’ নেওয়ার হুমকি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্যের পর রাজ্য তো বটেই, দিল্লির রাজনীতিতেও শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

🔥 “সব ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে”

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভের সুরে বলেন, “আপনারা দেখছেন বিজেপি সরকার আমার ওপর এবং আমাদের সরকারের ওপর কী পরিমাণ অত্যাচার করছে! আমার হাত থেকে সব ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে।” মূলত নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতি-সক্রিয়তার দিকেই কি তাঁর ইঙ্গিত? রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে এই নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

🎯 “বাংলা জিতে দিল্লি দখল”

হুমকির সুরেই মুখ্যমন্ত্রী আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, “এর বদলা আমি নেব। আমি আগেই বলেছিলাম, বাংলাকে টার্গেট করলে আমরা দিল্লিকে টার্গেট করব। গতকালই মোদীকে পরাস্ত করা হয়েছে, আগামী দিনে বাংলা জিতে আমরা আবার মোদীকে পরাস্ত করব।” তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ২০২৬-এর ভোট শুধু রাজ্যের ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, এটি দিল্লি থেকে মোদী সরকারকে সরানোর বড়সড় পদক্ষেপ।

🗳️ গণতন্ত্রের মাধ্যমেই ‘বিনাশ’

আচমকা ‘বদলা’র কথা বললেও মমতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই লড়াই হবে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক উপায়ে। তাঁর কথায়, “ভারতবর্ষ এবং দিল্লি থেকে এই সরকারের বিনাশ করা হবে কেবল গণতন্ত্রের মাধ্যমে।” ভোটের প্রচার চলাকালীন তৃণমূল নেত্রীর এই আক্রমণাত্মক রূপ বিরোধীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একদিকে যখন বিজেপি উত্তরবঙ্গে মাটি কামড়ে পড়ে আছে, তখন মমতার এই ‘দিল্লি টার্গেট’ স্লোগান কর্মীদের নতুন অক্সিজেন জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে।