“কেউ কি অরাজনৈতিক হতে পারে?” নববর্ষের ফ্যাশন থেকে ভোটযুদ্ধ— বিস্ফোরক আড্ডায় চৈতি ঘোষাল

বাংলা বিনোদন জগতের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেত্রী চৈতি ঘোষাল এবার পা রাখছেন পরিচালনার দুনিয়ায়। মুক্তির অপেক্ষায় তাঁর প্রথম ছবি ‘নেভার মাইন্ড’। পয়লা বৈশাখের আবহে শৈশবের স্মৃতি, শাড়ির নস্ট্যালজিয়া এবং বর্তমানের উত্তপ্ত রাজনীতি নিয়ে ইটিভি ভারতের সঙ্গে খোলামেলা আড্ডায় মাতলেন তিনি।
শৈশবের হালখাতা ও শাড়ির নস্ট্যালজিয়া
চৈতির কাছে নববর্ষ মানেই ছিল মায়ের সঙ্গে হালখাতা করতে যাওয়া, মিষ্টির প্যাকেট আর কোল্ড ড্রিঙ্কস। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, “মা প্রচুর শাড়ি কিনতেন। এখন পয়লা বৈশাখে মা আর শাশুড়ি মায়ের জন্য সুতির ছাপা শাড়ি বা কোটা শাড়ি কেনাটাই ছিল দস্তুর।” এবারও নববর্ষের ফ্যাশনে চৈতিকে দেখা গেছে চিরায়ত এথনিক এবং মডার্ন ফিউশন লুকে।
“অরাজনৈতিক কথাটাই কার্যকর নয়”
নির্বাচনী মরসুমে চৈতি ঘোষাল কি রাজনৈতিক? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কেউ কি অরাজনৈতিক হতে পারে? আমি কী পরব, কী নাটক করব বা কী সিনেমা বানাব— সবকিছুর মধ্যেই রাজনীতি আছে। নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করা মানেই কোনো বিশেষ পার্টি পলিটিক্স নয়।” তিনি আরও জানান, রাজ্যে পরিবর্তনের সময় তাঁর কাছে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু কেন এখন আর আসে না? চৈতির সপাটে উত্তর— “আমি যে কোনো অন্যায় মেনে নেব না, সেটা আমার মুখে-কাজে লেখা আছে। সম্ভবত সেই কারণেই প্রস্তাব আর আসেনি।”
পরিচালনা ও ‘রক্তকরবী’
দীর্ঘদিন অভিনয়ের পর এবার পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন চৈতি। জুনে মুক্তি পেতে পারে তাঁর ছবি ‘নেভার মাইন্ড’। পাশাপাশি তাঁর নির্দেশিত নাটক ‘রক্তকরবী’ও দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। তাঁর মতে, ‘রক্তকরবী’ আজও এক অত্যন্ত জ্যান্ত রাজনৈতিক নাটক, যা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে ভীষণ প্রাসঙ্গিক।