মিমিকে ‘অপমান’ করে শ্রীঘরে! এবার শ্লীলতাহানির ধারা যুক্ত হলো তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগে ধৃত তনয় শাস্ত্রীর বিপদ আরও বাড়ল। বনগাঁ আদালতের বিচারক বুধবার অভিযুক্ত তনয়কে আরও চার দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে মামলার সবচেয়ে বড় মোড় হলো— মিমির করা অভিযোগে এবার যুক্ত করা হয়েছে ‘শ্লীলতাহানি’-র (৭৪ বিএনএস) মতো গুরুতর ধারা। একইসঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি মিমি চক্রবর্তীকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয়ে গোপন জবানবন্দি দিতে হবে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি, রবিবার রাতে। বনগাঁ পৌরসভার নয়া গোপালগঞ্জ যুবক সংঘের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন মিমি। অভিযোগ, রাত পৌনে বারোটা নাগাদ মিমি যখন গানের মাঝপথে, তখন ক্লাবের অন্যতম কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রী আচমকা স্টেজে উঠে পড়েন এবং মিমিকে গান থামিয়ে স্টেজ থেকে নেমে যাওয়ার নির্দেশ দেন। প্রকাশ্য মঞ্চে এমন আচরণের জেরে চূড়ান্ত অপমানিত বোধ করেন অভিনেত্রী এবং তৎক্ষণাৎ বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এদিন বনগাঁ আদালতে সরকারি আইনজীবী সমীর দাস অভিযুক্তের ৭ দিনের পুলিশ হেফাজত ও তাঁর বাড়িতে তল্লাশির আবেদন জানিয়েছিলেন। যদিও বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে ৪ দিনের জেল হেফাজত মঞ্জুর করেন। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে শ্লীলতাহানির ধারা যুক্ত করে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’-এর যে আবেদন করা হয়েছিল, তা গৃহীত হয়েছে। আদালত থেকে বেরোনোর সময় তনয় শাস্ত্রী সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বলেন, “আইনের প্রতি আমার পূর্ণ ভরসা আছে।” এখন দেখার, ৬ তারিখ মিমির গোপন জবানবন্দির পর এই মামলার গতিপ্রকৃতি কোন দিকে ঘোরে।