গণেশ আরাধনায় এই ভুল করছেন না তো? জানুন বাপ্পার আশীর্বাদ পাওয়ার সঠিক নিয়ম ও আরতি!

হিন্দু ধর্মে ভগবান গণেশকে ‘বিঘ্নহর্তা’ বলা হয়। যেকোনো শুভ কাজ শুরু করার আগে তাঁর আরাধনা করা বাধ্যতামূলক। মনে করা হয়, শ্রী গণেশের আশীর্বাদ থাকলে জীবনের সমস্ত বাধা-বিপত্তি নিমেষেই কেটে যায়। তবে শাস্ত্রমতে, ভক্তিভরে পুজো করার পর যদি আরতি না করা হয়, তবে সেই পুজো অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই পুজোর শেষে ভগবান গণেশের আরতি করা অত্যন্ত জরুরি।
শ্রী গণেশ আরতি (সুখকর্তা দুঃখহর্তা):
সুখকর্তা দুঃখহর্তা, বার্তা বিঘ্নাচী নূর্ভী পূর্বী প্রেম কৃপা জয়াচী সর্বাঙ্গী সুন্দর উটী শেন্দু রাচী কণ্ঠী ঝলকে মাল মুক্তাফলাঞ্চী জয় দেব জয় দেব, জয় মঙ্গল মূর্তি দর্শনমাত্রে মন কামনা পূর্তি জয় দেব জয় দেব…
শ্রী গণেশ বন্দনা (জয় গণেশ জয় গণেশ দেবা):
জয় গণেশ জয় গণেশ, জয় গণেশ দেবা। মাতা জাকি পার্বতী, পিতা মহাদেবা॥ এক দন্ত দয়াবন্ত, চার ভূজা ধারী। মাথে সিন্দুর সোহে, মূসে কী সওয়ারী॥ পান চড়ে ফল চড়ে, ঔর চড়ে মেওয়া। লড্ডুঅন কা ভোগ লগে, সন্ত করে সেবা॥ অন্ধন কো আঁখ দেত, কোঢ়িন কো কায়া। বাঁঝন কো পুত্র দেত, নির্ধন কো মায়া॥
গণেশ আরতির গুরুত্ব ও লাভ: ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, নিয়মিত গণেশ আরতি করলে ঘরে ধন-ধান্যের অভাব হয় না। এটি কেবল মনের শান্তি আনে না, বরং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ইতিবাচক শক্তি সঞ্চার করে। ভক্তদের বিশ্বাস, গণেশজি খুশি হলে সমস্ত দেব-দেবী প্রসন্ন হন এবং ভক্তের মনের সকল বাসনা পূর্ণ হয়। তাই প্রতিদিন পুজোর শেষে বাপ্পার এই আরতি পাঠ করা সৌভাগ্যের কারক হিসেবে বিবেচিত হয়।