চায়ের দোকানে যমদূত হয়ে এল ঘাতক ট্রাক! ল্যাম্বুয়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা, গ্যাস কাটারে বের করা হলো চালকের দেহ।

উত্তর ভারতে শীতের দাপট বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পথ দুর্ঘটনা। বৃহস্পতিবার সকালে সুলতানপুরের কুর্মিয়ানে রামপুর গ্রামে ঘন কুয়াশার জেরে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। দৃশ্যমানতা কম থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি দ্রুতগতির ট্রাক রাস্তার ধারের এক চায়ের দোকানে ঢুকে পড়ে।

চায়ের দোকানে তাণ্ডব: স্থানীয় সূত্রে খবর, দিয়ারা থেকে আসা ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে দোকানে ধাক্কা মারে এবং পরে একটি গাছে গিয়ে আছড়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দোকানদারের ২৮ বছর বয়সী ছেলে রোহিতের। গুরুতর আহত হন তাঁর মা রাজকুমারী-সহ আরও তিন জন। ঘাতক ট্রাকের চালক অঙ্কিত পাল (৩২) স্টিয়ারিংয়ের খাঁজে আটকে পড়ে প্রাণ হারান। পরে গ্যাস কাটার ও জেসিবি এনে তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

একই রাতে আরও দুটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা:
১. নিভে গেল ৪ হবু চিকিৎসকের প্রাণ: উত্তরপ্রদেশের আমরোহার কাছে দিল্লি-লখনউ জাতীয় সড়কে গাড়ি ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন এমবিবিএস (MBBS) ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। ভেঙ্কটেশ্বর ইউনিভার্সিটির ওই ছাত্ররা গভীর রাতে দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষ এতটাই তীব্র ছিল যে গাড়িটি পিষে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।

২. বাড়ি ফেরা হলো না দুই যুবকের: আমরোহার গজরাউলা জাতীয় সড়কেই অন্য একটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দীপক ও নিতিন নামে দুই বাইক আরোহী। গুরুগ্রামে বাইক রাইডারের কাজ সেরে লখিমপুর খেরির বাড়িতে ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় তাঁদের মৃত্যু হয়।

সতর্কবার্তা: পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। ঘন কুয়াশায় গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ফগ লাইট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।