‘আমার মা-ই সবথেকে বড় গোয়েন্দা!’ মিতিন মাসি রূপে ফেরার আগে বড় গোপন ফাঁস করলেন কোয়েল।

সংসার এবং রুপালি পর্দা— দুই হাতেই সমানতালে সামলাচ্ছেন টলিউডের ‘কুইন’ কোয়েল মল্লিক। একদিকে দুই সন্তানের দায়িত্ব, অন্যদিকে একের পর এক বক্স অফিস হিট। ‘স্বার্থপর’ ছবির সাফল্যের পর এবার আবারও গোয়েন্দা অবতারে ফিরছেন তিনি। পরিচালক অরিন্দম শীলের হাত ধরে বড়দিনে মুক্তি পেতে চলেছে ‘মিতিন একটি খুনির সন্ধানে’। আর এই ছবির প্রচারেই নিজের ব্যক্তিগত জীবনের একগুচ্ছ মজার তথ্য ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।
বাস্তব জীবনের সেরা গোয়েন্দা কে? সাক্ষাৎকারে কোয়েলকে প্রশ্ন করা হয়, পর্দার বাইরে তিনি কি এমন কোনো কাকিমা বা পিসিমাকে দেখেছেন যাঁরা স্বভাবজাত গোয়েন্দাগিরি করেন? হেসেই কোয়েলের উত্তর, “আমার মা-ই সবথেকে বড় গোয়েন্দা!” তাঁর দাবি, আত্মীয়স্বজন থেকে বন্ধু-বান্ধব— সবার খবর নখদর্পণে থাকে মায়ের। কোয়েল বলেন, “মায়ের ইনটিউশন পাওয়ার খুব প্রবল। গল্প করতে করতে মা হঠাৎ বলে ওঠেন, ‘অমুকের খবর নিয়ে দেখ তো, মনে হচ্ছে ও সমস্যায় আছে’। পরে দেখা যায় সত্যিই তাই! আর আমাদের ওপর নজরদারি তো রয়েইছে।”
পাড়ার কাকিমা ও বাঙালির রহস্যপ্রীতি: পাড়ার কাকিমা-পিসিমাদের নিয়ে মজার ছলে কোয়েল জানান, বাঙালি জাতি হিসেবেই রহস্য রোমাঞ্চ ভালোবাসে। তাই পাড়ার কার জীবনে কী ঘটছে, তা নিয়ে কাকিমাদের কৌতূহল থাকাটাই স্বাভাবিক। নিজের প্রিয় গোয়েন্দার তালিকায় ফেলুদা, ব্যোমকেশের পাশাপাশি কোয়েলের সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র হলো ‘মিস মার্পল’।
ব্যক্তিগত জীবনে কোয়েল কতটা গোয়েন্দা? বাস্তবে তিনি গোয়েন্দাগিরি করেন কি না, এই প্রশ্নে স্মিত হেসে কোয়েল জানান যে তিনি সাইকোলজির ছাত্রী। তাই বড় ছেলে কবীরের ওপর সবসময় তাঁর কড়া নজর থাকে। সারাদিন ও কী দুষ্টুমি করল, লুকিয়ে চকোলেট খেল কি না— এই ছোট ছোট বিষয়ে নিয়মিত ‘তদন্ত’ চালান মা কোয়েল। অভিনেত্রীর মতে, প্রতিটি মা-ই আসলে মনের দিক থেকে একজন করে গোয়েন্দা।
বড়পর্দায় ‘মিতিন মাসি’র বুদ্ধি আর সাহসের লড়াই দেখতে এখন মুখিয়ে আছেন ভক্তরা। বড়দিনের ছুটিতে ফের একবার রহস্যের জট ছাড়াতে কোয়েল যে তৈরি, তা বলাই বাহুল্য।