যুবভারতীর গেটে বাধা! মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, ‘ঠ্যালা ও গুঁতো’র হুঁশিয়ারিতে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ‘আর্থিক কেলেঙ্কারি’র প্রতিবাদে বুধবার সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সল্টলেকের স্টেডিয়াম চত্বরে পৌঁছালেও তাঁকে ভিতরে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ ও কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ ভিতরে ঢুকতে না পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন শুভেন্দু অধিকারী। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করছেন পুলিশ দিয়ে সব আটকে দেবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, বিজেপি জানে কী করে ঠ্যালা আর গুঁতো দিতে হয়। সময় এলে মানুষই এই গুঁতো দেবে।” কী এই যুবভারতী কেলেঙ্কারি? বিজেপির অভিযোগ, যুবভারতী স্টেডিয়ামের সংস্কার এবং রক্ষণাবেক্ষণের নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। সেই দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই এদিন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকেই তাঁকে আটকে দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের দাবি, পূর্বানুমতি ছাড়া স্টেডিয়ামের অন্দরে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

তৃণমূলের পাল্টা জবাব শুভেন্দুর এই ‘গুঁতো’ মন্তব্য নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, খবরে থাকার জন্যই রোজ সকালে কোনো না কোনো ইস্যু নিয়ে নাটক করেন শুভেন্দু। স্টেডিয়ামে ঢুকে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন তিনি, যা পুলিশ সফলভাবে রুখে দিয়েছে।

এদিনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবভারতী চত্বরে দীর্ঘক্ষণ উত্তেজনা বজায় থাকে। বিরোধী দলনেতার এই চরম হুঁশিয়ারি আগামীর রাজনৈতিক লড়াইতে নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।