গ্রাহক সন্তুষ্টি ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মাস্টারস্ট্রোক! সেপ্টেম্বরে একাধিক নতুন পরিষেবা চালু

গ্রাহক সন্তুষ্টি বৃদ্ধি এবং পণ্যবাহী রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে (N.F. Railway)। লজিস্টিক দক্ষতা জোরদার করা, পণ্য পরিবহন সুগম করা এবং আঞ্চলিক কৃষি ও শিল্প সরবরাহ শৃঙ্খলের বৃদ্ধিতে সহায়তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এই উদ্যোগগুলি নেওয়া হয়েছে।

এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের লামডিং ডিভিশনের অধীনে নাগাল্যান্ডের মলভ’ম স্টেশন এবং মিজোরামের সাইরাং স্টেশনকে পণ্য পরিবহণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

মলভ’ম স্টেশন: ০২.০৯.২০২৫ তারিখ থেকে এই স্টেশনটি বহির্গামী এবং অন্তর্মুখী সকল প্রকার পণ্য পরিবহণ হেণ্ডলিং-এর জন্য চালু করা হয়েছে।

সাইরাং স্টেশন: ১২.০৯.২০২৫ তারিখ থেকে এই স্টেশনটি বহির্গামী এবং অন্তর্মুখী সকল পণ্য পরিবহণ হেণ্ডলিং-এর জন্য খোলা হয়েছে। এছাড়াও, ১৯.০৯.২০২৫ তারিখ থেকে সাইরাং স্টেশনটি যানবাহন পরিবহণের জন্য বহির্গামী এবং অন্তর্মুখী উভয়ের জন্যই উন্মুক্ত করা হয়েছে।

পাশাপাশি, রঙিয়া ডিভিশনের অধীনে বাইহাটা স্টেশন ২৬.০৯.২০২৫ তারিখ থেকে অন্তর্মুখী আইরন ও স্টীল সামগ্রী পরিবহনের জন্য খোলা হয়েছে। এই কৌশলগত পদক্ষেপগুলির মাধ্যমে উত্তর-পূর্বের ক্রমবর্ধমান সরবরাহ চাহিদা পূরণ হবে বলে রেল কর্তৃপক্ষ আশাবাদী।

মাল পরিবহণে নজির সৃষ্টি:

বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ইউনিট (বিডিইউ) পদক্ষেপের অধীনে, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে সেপ্টেম্বর মাসে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মাল পরিবহন করেছে।

চাল পরিবহন: আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের অধীনে নিউ কোচবিহার স্টেশন থেকে লামডিং ডিভিশনের জিরাণীয়ায় মোট ২১টি ওয়াগন চাল লোড করা হয়েছিল।

স্টোন চিপস বুকিং: লামডিং ডিভিশনের অধীনে বিভিন্ন নতুন স্থান থেকে মোট ১৪৭৪টি ওয়াগন স্টোন চিপস বুক করা হয়েছিল। এর মধ্যে শোখুভি থেকে জিরাণীয়া এবং লামডিং পর্যন্ত ২৬২টি ওয়াগন, সালচাপাড়া থেকে ভৈরবী পর্যন্ত ৬২টি ওয়াগন, ডিটকছড়া থেকে জিরাণীয়া, বিলোনিয়া এবং বিহাড়া পর্যন্ত ৫৮৮টি ওয়াগন, বিহাড়া থেকে জিরাণীয়া এবং বিলোনিয়া পর্যন্ত ২৪৫টি ওয়াগন, পঞ্চগ্রাম থেকে উদয়পুর, জিরাণীয়া এবং বিলোনিয়া পর্যন্ত ১৪৭টি ওয়াগন, এবং ভৈরবী থেকে লালাবাজার এবং সাইরাং পর্যন্ত ১৭০টি ওয়াগন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে তার মালবাহী পরিষেবা এবং গ্রাহকদের পরিষেবা উন্নত করার ওপর জোর দিয়ে চলেছে। স্থায়ী উদ্যোগ এবং প্রযুক্তি-চালিত সমাধানের মাধ্যমে এই অঞ্চলে আরও দ্রুত, সুরক্ষিত এবং দক্ষ পরিবহন নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছে উত্তর-পূর্ব রেল।