ঘি-চিনি ছাড়াই হবে বেসনের লাড্ডু! দিওয়ালিতে ওজন না বাড়িয়ে মিষ্টি খান, রইল ভাইরাল হেলদি রেসিপি

উৎসব মানেই মিষ্টিমুখ, আর দিওয়ালিতে বাড়িতে মিষ্টি তৈরি হবে না, তা কি হতে পারে? তবে স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই অতিরিক্ত ক্যালোরি এবং ওজন বাড়ার ভয়ে মিষ্টি এড়িয়ে চলেন। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি যদি দিওয়ালিতে মিষ্টির স্বাদ নিতে চান, কিন্তু ঘি এবং চিনিও এড়াতে চান, তাহলে এই বিশেষ রেসিপিটি আপনার জন্য। আজ আমরা জানাবো কীভাবে আপনি খুব সহজেই ঘি এবং চিনি ছাড়াই বাড়িতে বেসনের লাড্ডুর মতো একটি স্বাস্থ্যকর মিষ্টি তৈরি করতে পারেন।
ঘি ও চিনি ছাড়া স্বাস্থ্যকর লাড্ডু তৈরির সহজ পদ্ধতি:
এই রেসিপিতে বেসনের পরিবর্তে ব্যবহার হবে ভাজা ছোলা বা ছাতু।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
ভাজা ছোলা (বা ছাতু)
কাজু বা কাঠবাদাম
এলাচ গুঁড়ো
মিষ্টির জন্য (স্টিভিয়া/গুড়/খেজুরের পেস্ট)
কাটা বাদাম ও ড্রাই ফ্রুটস (সাজানোর জন্য)
প্রণালী:
১. বেসনের বিকল্প তৈরি: প্রথমে ভাজা ছোলা ব্যবহার করলে একটি মিক্সারের ছোট জারে নিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এটি ভালোভাবে চেলে আলাদা করে রাখুন। ছাতু ব্যবহার করলে সরাসরি ব্যবহার করা যাবে।
২. ঘি-এর বিকল্প: আমন্ড বাটার তৈরি: এই রেসিপিতে ঘি-এর বদলে ব্যবহার করা হবে বাদামের তৈরি মাখন বা আমন্ড বাটার। এর জন্য প্রথমে একটি প্যানে বাদাম দিয়ে হালকা করে ড্রাই রোস্ট করে নিন। বাদাম হালকা ঠান্ডা হলে মিক্সারের জারে নিয়ে ধীরে ধীরে পেষা শুরু করুন। যতক্ষণ না বাদাম থেকে তেল বের হয়ে এটি মাখনের (বাটার) মতো টেক্সচারে আসে, ততক্ষণ পেষাই চালিয়ে যান।
৩. মিশ্রণ তৈরি: এবার ভাজা ছোলার গুঁড়োতে (বা ছাতুতে) এলাচ গুঁড়ো, কাটা বাদাম এবং আপনার পছন্দের স্বাস্থ্যকর মিষ্টি (যেমন— স্টিভিয়া, গুড় বা খেজুরের ঘন পেস্ট) যোগ করে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
৪. লাড্ডু তৈরি: এই মিশ্রণে তৈরি করে রাখা আমন্ড বাটার ধীরে ধীরে যোগ করতে শুরু করুন। আলতো হাতে মেখে একটি নরম মণ্ড তৈরি করে নিন। এবার ছোট ছোট বল নিয়ে লাড্ডুর আকারে গড়ে তুলুন।
৫. পরিবেশন: লাড্ডুর উপরে রুপোর তবক এবং ড্রাই ফ্রুটস দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। এই দিওয়ালিতে পরিবার ও বন্ধুদের এই স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু লাড্ডু খাইয়ে তাক লাগিয়ে দিন।