যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীর মৃত্যু, খুনের অভিযোগ তুলেছেন বাবা, কেন ১৩ জনের মধ্যে মাত্র ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনো কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি পুকুর থেকে ওই ছাত্রী, অনামিকা মণ্ডলকে, অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনায় তার বাবা খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জুতো উদ্ধার ও জিজ্ঞাসাবাদ
এই ঘটনার তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশ জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পুকুর থেকে একটি জুতো উদ্ধার হয়েছে, যা অনামিকার বলেই মনে করা হচ্ছে। অনামিকার বাবা জুতোটি শনাক্ত করার জন্য লালবাজারে যাবেন।
ঘটনার তদন্তে ১৩ জন শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবাজারে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তবে সূত্রের খবর, তাদের মধ্যে মাত্র ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে যাদের দেখা গেছে, তাদের সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অনামিকার বাবা অভিযোগ করেছেন যে, এটি কোনো দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যা নয়, বরং তাকে ঠেলে ফেলে দিয়ে খুন করা হয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।
ভিসেরা পরীক্ষার ওপর নির্ভর করছে তদন্ত
অনামিকা মৃত্যুর আগে মত্ত ছিলেন কি না, তা জানতে তার ভিসেরা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, মৃত্যুর আগে অনামিকা কাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন এবং কাদের সঙ্গে ছিলেন। রহস্যের কিনারা করতে পুলিশ সবদিক খতিয়ে দেখছে এবং ভিসেরা পরীক্ষার রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে।