‘দোস্ত দোস্ত না রাহা, ট্রাম্প ইয়ার হামে তেরা আইতবার না রাহা’, শুল্ক ইস্যুতে মোদীকে খোঁচা কংগ্রেসের

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের ওপর শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রক কড়া বিবৃতি জারি করে আমেরিকার দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করেছে। এবার এই ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস মোদী-ট্রাম্পের বন্ধুত্বকে কটাক্ষ করে সরব হয়েছে।

কংগ্রেস সাংসদ এবং মুখপাত্র জয়রাম রমেশ এই প্রসঙ্গে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বহু বছর ধরে দাবি করে আসছেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তার একটি বিশেষ বন্ধন রয়েছে। কিন্তু এই বন্ধুত্ব এখন ভারতের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রমাণিত হয়েছে।” তিনি বলেন, বিদেশ মন্ত্রক দেরিতে হলেও একটি বিবৃতি জারি করেছে, তবে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি অনেক আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। রমেশের কথায়, “আজ, চিন, আমেরিকা এবং পাকিস্তান ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।”

জয়রাম রমেশ আরও বলেন, “একটি জনপ্রিয় গান আছে – ‘দোস্ত দোস্ত না রাহা’। প্রধানমন্ত্রীর অবশ্যই গানটি জানা উচিত। ‘দোস্ত দোস্ত না রাহা, ট্রাম্প ইয়ার হামে তেরা আইতবার না রাহা’।” তিনি ‘হাউডি মোদী’ এবং ‘নমস্তে ট্রাম্প’-এর মতো অনুষ্ঠানগুলির কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘আব কি বার ট্রাম্প সরকার’ স্লোগান দিয়েছিলেন এবং ট্রাম্পের শপথগ্রহণের সময় ভারতের বিদেশমন্ত্রী প্রথম সারিতে বসেছিলেন। রমেশ বলেন, “তখন দাবি করা হয়েছিল যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এখন বর্ধিত শুল্কের ফলাফল কী? এর আগেও ট্রাম্প ৩২-৩৩ বার বলেছিলেন যে তিনি পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে মধ্যস্থতা করে যুদ্ধবিরতি করিয়েছেন।”

এই ঘটনার জেরে একদিকে যেমন ভারত সরকার আমেরিকার দ্বিচারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, তেমনই বিরোধী কংগ্রেসও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশনীতি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের দুর্বলতা নিয়ে সরব হয়েছে।