কোচবিহারে গুলিবিদ্ধ TMC নেতা, অভিযোগের আঙ্গুল বিজেপির দিকে! অগ্নিগর্ভ পুন্ডিবাড়ি

কোচবিহারে চাঞ্চল্যকর ঘটনা! কোচবিহার ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ এবং প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা রাজু দে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এই হামলার প্রতিবাদে ফুঁসছে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ, শুক্রবার (৪ জুলাই, ২০২৫) পুন্ডিবাড়িতে ব্যাপক রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, টায়ার জ্বালিয়ে চলছে প্রতিবাদ। এই ঘটনায় হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কোচবিহার উত্তরের বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায়ের ছেলে শুভঙ্কর রায়কে আটক করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

গুলিবিদ্ধ রাজু দে, অভিযোগের তির বিজেপির দিকে
তৃণমূলের অভিযোগ, গতকাল রাতে (৩ জুলাই, ২০২৫) রাজু দে পার্টি অফিস থেকে বাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে এই হামলার শিকার হন। তারা দাবি করেছে, একটি কালো গাড়িতে করে এসে দুষ্কৃতীরা তাঁর উপর গুলি চালায়। তৃণমূলের দাবি অনুযায়ী, রাজু দের ডান কাঁধে গুলি লেগেছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।

তবে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায়ের পাল্টা দাবি, এটি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল, যার জেরেই এই গুলি চলার ঘটনা ঘটেছে।

পুন্ডিবাড়িতে বিক্ষোভ, আটক বিজেপি বিধায়কের ছেলে
রাজু দে-কে গুলি করার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। পুন্ডিবাড়িতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়কের ছেলের আটক হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

কালীগঞ্জে নাবালিকা হত্যা: ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০, ১৪ জন অধরা
অন্যদিকে, কালীগঞ্জের মোলান্ডিতে নাবালিকাকে খুনের ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম আবুল কাসেম শেখ। আজ তাকে কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হবে। এই নিয়ে এই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ জন।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন কালীগঞ্জ উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন তৃণমূলের বিজয়োল্লাস থেকে ছোড়া বোমায় এক নাবালিকার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় নাবালিকার পরিবার ২৪ জনের নামে এফআইআর দায়ের করেছিল। এখনও পর্যন্ত ১৪ জন অভিযুক্ত অধরা রয়েছেন, যাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

এই দুই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।