তৎকালে টিকিট কাটা নাকি জালিয়াতি? সমস্যার সমাধান জানিয়ে দিলেন এই ব্যবসায়ী!

ভারতীয় রেল টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে এই বছরের শুরু থেকে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। আগে যেখানে প্রায় ৪ মাস আগে ট্রেনের টিকিট কাটা যেত, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেই সময়সীমা কমিয়ে ২ মাস করা হয়েছে। এর ফলে টিকিট বাতিলের হার কিছুটা কমেছে বলে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

তবে, এসবের মধ্যেও হঠাৎ জরুরি ভ্রমণের জন্য মানুষ আজও তৎকাল বা প্রিমিয়াম তৎকাল টিকিটের ওপরই ভরসা করে। যদিও এই ধরনের টিকিটের জন্য ভারতীয় রেলকে বেশি অর্থ দিতে হয়। আর এই তৎকাল টিকিট কাটার সময় সমস্যার সম্মুখীন হননি এমন মানুষ সম্ভবত খুবই কম আছেন। কারণ, তৎকাল টিকিট ছাড়ার মুহূর্তে আইআরসিটিসি (IRCTC) ওয়েবসাইট বা অ্যাপে এতটাই বেশি ট্র্যাফিক থাকে যে সার্ভার প্রায়শই অচল হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি নিয়েই এবার প্রশ্ন তুলেছেন এক কোটিপতি উদ্যোগপতি।

অনেকেই তৎকাল টিকিট কাটাকে এক প্রকার ‘জুয়া’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। কিন্তু থাইরোকেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবসায়ী ডক্টর এ. ভেলুমনি আইআরসিটিসি ওয়েবসাইটের এই করুণ অবস্থাকে সরাসরি ‘প্রতারণামূলক’ বলে চিহ্নিত করেছেন। তিনি শুধু সমালোচনা করেই থেমে থাকেননি, তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এই সমস্যার একটি সম্ভাব্য সমাধানের কথাও বলেছেন।

ডক্টর ভেলুমনি প্রস্তাব করেছেন যে, যদি ওয়েবসাইটে সত্যিই সার্ভার লোডের সমস্যা থাকে, তাহলে আইআরসিটিসি’র উচিত প্রতি ঘণ্টায় মাত্র ১ থেকে ১০টি ট্রেনের বুকিং খোলা। তার মতে, এতে সাইটে ট্র্যাফিকের চাপ অনেকটাই কমবে এবং আইআরসিটিসির অফিসিয়াল সাইট বা অ্যাপ সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে, যা সাধারণ মানুষের হয়রানি কমাবে।