ভারতীয় ক্রিকেট দলে বড়সড় রদবদল, কোচিং স্টাফে একাধিক পরিবর্তন আনল বিসিসিআই

ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের কোচিং স্টাফে বড়সড় পরিবর্তন আনল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। অস্ট্রেলিয়ায় বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জের ধরে ব্যাটিং কোচ অভিষেক নায়ার, ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ এবং স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ সোহম দেশাইকে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, দলের ম্যাসাজারকেও বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে, যদিও তার নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্রের খবর, রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে ৩-১ ব্যবধানে পরাজয়ের পরই এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বিসিসিআই। এই সিরিজ হারার পরেই দলের অভ্যন্তরের কিছু খবর সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যাওয়া নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এমন খবরও প্রকাশিত হয়েছিল যে দলের একজন খেলোয়াড় অন্তর্বর্তীকালীন অধিনায়ক হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয় যে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর ড্রেসিং রুমের খবর ফাঁসের জন্য সরফরাজ খানকে দায়ী করেছিলেন।
বিসিসিআই আপাতত সহকারি কোচ রায়ান টেন ডয়েশচেটকে টি দিলীপের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ফিল্ডিং কোচের সাময়িক দায়িত্ব দিয়েছে। তবে ব্যাটিং কোচ অভিষেক নায়ারের এবং টি দিলীপের সরাসরি বিকল্প হিসেবে এখনও কারও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অন্যদিকে, স্ট্রেংথ এবং কন্ডিশনিং কোচের দায়িত্ব সাময়িকভাবে গ্রহণ করবেন দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রেনার অ্যাড্রিয়ান লে রক্স।
আগামী ২০ জুন থেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু হতে চলা পাঁচ ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট সিরিজের আগে এই পরিবর্তন আনা হল। আশা করা হচ্ছে, নতুন সাপোর্ট স্টাফরা এই সিরিজ থেকেই ভারতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন এবং দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবেন। বিসিসিআইয়ের এই পদক্ষেপ ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে, যেখানে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দলের অভ্যন্তরের শৃঙ্খলা বজায় রাখার উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, নতুন কোচিং স্টাফদের অধীনে ভারতীয় দল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে কেমন পারফর্ম করে।