ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো বাংলা, মসজিদ থেকে হাসপাতাল শুধুই লাশ আর লাশ, মৃত্যু ৭০০

মৃতদেহের সারি, সর্বত্র ধ্বংসের চিহ্ন—যেদিকে চোখ যায়, কেবলই বিপর্যয়ের ছবি। ভূমিকম্পে ধূলিসাৎ হয়েছে বহুতল ভবন। হাসপাতাল থেকে মসজিদ, বিশ্ববিদ্যালয়—সব জায়গায় একই দৃশ্য। শুক্রবারের সেই ভয়াবহ কম্পনে কেঁপে উঠেছিল বাংলা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মায়ানমার ও থাইল্যান্ড। শনিবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৭০০ ছাড়িয়েছে, আহত ১৬০০-রও বেশি।
মায়ানমারের রাজধানী নেপিদ-তে একাধিক ভবন ধসে পড়েছে। একটি হাসপাতাল ধসে পড়ায় বহু রোগী ও চিকিৎসাকর্মী মারা গিয়েছেন। নামাজের সময় মসজিদ ভেঙে পড়ায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ও ক্ষতির শিকার হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে দেশটিতে ইতিমধ্যেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে, এবং আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।
শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের প্রভাব নর্দান থাইল্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছেছে। সেখানে মেট্রো ও রেল পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত থাইল্যান্ডে ৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। চিনের ইউনান প্রদেশেও কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও মণিপুর-সহ ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে কম্পন টের পাওয়া গেছে, প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও।
সাহায্য পাঠাতে প্রস্তুত ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স-এ পোস্ট করে জানিয়েছেন, ভারত সবরকম সহায়তা দিতে প্রস্তুত। ইউরোপের একাধিক দেশও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।