সোহা-কুণালের ১০ বছরের সুখী দাম্পত্য, ‘খুব অহংকার…’, বিয়েতে মত ছিল না শর্মিলার!

সোহা আলি খান এবং কুণাল কেমু সম্প্রতি তাদের দশম বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন করেছেন। এই সুখী দম্পতি তাদের কন্যা সন্তানকে নিয়ে বেশ আনন্দেই দিন কাটাচ্ছেন। তবে তাদের পথটা এতটা মসৃণ ছিল না। এক সময় সোহা মায়ের চরম আপত্তির মুখে পড়েছিলেন কুণালকে বিয়ে করার জন্য।

সোহা সম্প্রতি এক পডকাস্টে সেই অভিজ্ঞতার কথা জানান। বলিউডে পা রাখার সময় শর্মিলা ঠাকুর মেয়েকে অভিনেতা পাত্রকে বিয়ে না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কারণ তার মনে হত অভিনেতারা অহংকারী হয় এবং তাদের মুড সুইং বেশি থাকে। এছাড়াও তাদের নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়েও নানান চিন্তা থাকে। শর্মিলা মনে করতেন একজন অভিনেতাকে বিয়ে করলে অনেক বেশি ধৈর্য আর সহ্যের প্রয়োজন।

তবে মায়ের কথা শোনেননি সোহা। কুণালের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ছিল এবং তিনি বিশ্বাস করতেন কুণাল তার জন্য সঠিক মানুষ। তাদের বিয়ে হয় এবং আজ তারা এক সুখী দম্পতি। তাদের দশ বছরের বিবাহিত জীবন প্রমাণ করে যে সোহা মায়ের আপত্তির মুখেও নিজের মনের কথা শুনে ভুল করেননি।

সোহা জানান, তার বাবা মনসুর আলি খান পতৌদি ছিলেন শান্ত স্বভাবের মানুষ। তিনি কখনও চিৎকার করে কথা বলতেন না, তবে প্রয়োজনে দৃঢ় হতে পারতেন। সোহা নিজেকে বাবার মতোই শান্ত স্বভাবের বলে মনে করেন। তিনি জানান, কুণালকে কীভাবে শান্ত রাখতে হয় তা তিনি জানেন। তাদের সাত বছর বয়সী মেয়েও তাকে হতাশ করে না। তবে মজা করে বলেন, তার স্বামীই একমাত্র ব্যক্তি যে তাকে সত্যিই জ্বালাতন করতে পারে।

সোহা এবং কুণালের গল্পটি প্রমাণ করে, ভালোবাসার শক্তি অনেক বেশি। তারা সমাজের প্রত্যাশার বাইরে গিয়ে নিজেদের মতো করে জীবন গড়ে তুলেছেন। তাদের সুখী দাম্পত্য অনেক তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা।