এটাই ছিল আসল প্ল্যান! বাড়ি ভাঙার আড়ালে সেখানে তলে তলে কী হচ্ছে জানেন? ভয়ঙ্কর ছবি এল সামনে

বাংলাদেশের জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাড়ি ৩২, ধানমন্ডি, মৌলবাদীদের হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে। ৫ অগস্ট প্রথম আঘাতের পর, গত ৫ ফেব্রুয়ারি আবারও হামলা চালানো হয় এই বাড়িতে। এই হামলার ফলে শুধু একটি বাড়ি ধ্বংস হয়নি, বরং দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের একটি বড় অংশ মুছে ফেলার চক্রান্ত চলছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
বুধবার রাতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের নেতৃত্বে এক দল বিক্ষুব্ধ জনতা বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা বাড়ির গেট ভেঙে ঢুকে, দেওয়াল এবং পাঁচিল ভাঙতে শুরু করে। পরে, বিক্ষোভকারীরা বঙ্গবন্ধুর মুর্যালটিও ভাঙতে না থেমে, বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। কিন্তু, হামলা এখানেই থেমে থাকেনি। রাতভর চলতে থাকা এই ধ্বংসযজ্ঞে বাড়ির এক এক তল ভেঙে দেওয়ার জন্য ক্রেন-বুলডোজারও ব্যবহার করা হয়।
সকালের দিকে, ছবির মতো ভয়ঙ্কর দৃশ্য সামনে আসে। মুজিবের বাড়ি-মিউজিয়াম থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে দেশ-বিদেশে লেখা বিভিন্ন বই বের করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছু বিক্ষোভকারী বইগুলিকে ছিঁড়ে, বাক্সে ভরে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। বাড়ির দরজা, জানালা, ইট এবং কাঠও ধ্বংস করা হয়, যা পরে বিক্রি করার জন্য নেওয়া হয়।
The demolition of the Sheikh Mujibur Rahman’s Dhanmondi 32 residence in the capital was resumed after a few hours break.
People were seen gathering at the area following Fajr prayers.
Link in Comments
Video : TBS #SheikhMujiburRahman #dhanmondi32 #TBSnews pic.twitter.com/HzProwb5hU— The Business Standard (@tbsnewsbd) February 6, 2025
এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ধ্বংস করা নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাস থেকেই বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। গত বছরের ৫ অগস্টের পর, এই ঘটনা দ্বিতীয় দফা যেখানে মৌলবাদীরা বঙ্গবন্ধুর নাম এবং মুজিবের অবদানকে মুছে ফেলতে চেয়েছে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, এই ধ্বংসযজ্ঞের মূল উদ্দেশ্য কী? কি ধরনের প্রক্রিয়া চলছে, যা দেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার চেষ্টার সঙ্গে সম্পর্কিত? সরকার এবং দেশবাসীকে এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ইতিহাস সংরক্ষণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে, নতুবা এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের বিরুদ্ধে এক বড় আঘাত হতে পারে।