প্রয়াগরাজ গেলে এই ৫ খাবার অবশ্যই খাবেন, জেনেনিন প্রয়াগরাজের কিছু বিখ্যাত খাবার সম্পর্কে

প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভে কোটি কোটি ভক্তের ঢল নেমেছে, আর প্রতিদিনই এই ভিড় বাড়ছে। গঙ্গা, যমুনা এবং তৎকালীন সরস্বতীর পবিত্র সঙ্গমস্থলে শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানই নয়, বরং শহরের বিখ্যাত খাবারের স্বাদ নেওয়ারও দারুণ সুযোগ রয়েছে। কয়েক দশক ধরে প্রয়াগরাজে কিছু অতিপ্রসিদ্ধ খাবার রয়েছে, যা একবার চেখে না দেখলেই নয়।
প্রয়াগরাজে কিছু বিখ্যাত খাবার
সৈনিক ছোলা সামোসা
অশোক নগরের সৈনিক সামোসা এখানকার ভোজনরসিকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সাধারণ আলুর সামোসা এখানে এক ভিন্ন স্বাদের রূপ নেয়। গুঁড়ো করে পরিবেশিত হয় মশলাদার দই, তেঁতুলের চাটনি, পেঁয়াজ, ধনেপাতা ও আপেলের সঙ্গে। এটি একটি স্বতন্ত্র এবং সুস্বাদু চাট, যা অবশ্যই খাওয়ার তালিকায় রাখা উচিত।
রাজা রাম লস্যি ওয়ালার ঘন লস্যি
প্রয়াগরাজের রাজা রাম লস্যি ওয়ালা ঠান্ডা এবং ঘন লস্যির জন্য বিখ্যাত। মাখনের মতো ঘন করা হয়, যতক্ষণ না ক্রিম উপরে জমে ওঠে। বিভিন্ন ধরণের মিষ্টিও পাওয়া যায় এই দোকানে, তবে তাদের ঘন ও সুস্বাদু লস্যির স্বাদ নেওয়া না হলে অনেক কিছুই মিস হয়ে যাবে।
নেত্রাম মুলচাঁদ অ্যান্ড সন্সের কচোরি ও সবজি
এখানকার গোল, নরম, সুস্বাদু কচোরি মুখে দিলেই গলে যায়। বিশেষ করে মশলাদার ডাল দিয়ে স্টাফিং করা হয় এই কচোরি, যা মশলাদার সবজির সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। বিশেষ আকর্ষণ হলো খাঁটি দেশি ঘিয়ের মধ্যে এই কচোরি ভাজা হয়, যা এর স্বাদকে বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে।
সিভিল লাইনের মশালা চুরমুড়া
শহরের রাস্তার স্টলগুলোতে পাওয়া যায় মশালা চুরমুড়া, যা কলকাতার ঝালমুড়ির মতো হলেও কিছুটা আলাদা। এর মধ্যে ভাজা ছোলা, চিনাবাদাম ও চাট মসলার সংমিশ্রণ এক নতুন স্বাদ তৈরি করে, যা একবার খেলে বারবার খেতে মন চাইবে।
হীরা কনফেকশনারির গুলাব জামুন
হীরা কনফেকশনারির গুলাব জামুন প্রয়াগরাজের অন্যতম জনপ্রিয় মিষ্টি। এটি শুদ্ধ দুধ দিয়ে তৈরি হয় এবং বছরের পর বছর ধরে একই রেসিপি অনুসরণ করা হচ্ছে। বাদাম দিয়ে সাজানো এই নরম, স্পঞ্জি এবং সুস্বাদু গুলাব জামুন খেলে মুখে যেন স্বাদ লেগে থাকে।
প্রয়াগরাজ মহাকুম্ভে এসে শুধু স্নান ও পূজা নয়, এখানকার বিখ্যাত খাবারের স্বাদ না নিলে ভ্রমণ যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাই, যদি কখনো প্রয়াগরাজ যান, তাহলে এই ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলোর স্বাদ নিতে ভুলবেন না!