আকাশছোঁয়া দরে বিক্রি হচ্ছে সবজি ও ফল, লক্ষ্মীর আরাধনায় পকেটে চাপ মধ্যবিত্তের

দুর্গাপুজোর আগে বৃষ্টির কারণে সব্জির ফসল নষ্ট হওয়ায় বাজারে সব্জির দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আগে এমন দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের পকেটে চাপ বাড়ছে।

শ্রীরামপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজি পটলের দাম ৮০ টাকা, বেগুন ১৫০ টাকা, ঝিঙে ৮০ টাকা, কুমড়ো ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের একটি চালকুমড়ো বিকোচ্ছে ৪০ টাকায়। ছোট দেশি ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। কাঁচালঙ্কার দাম ২৫০ টাকা কেজি।

শুধু সবজি নয়, ফলের দামও চড়া। শশা ৬০ টাকা, আপেল ১৫০ টাকা, ন্যাসপাতি ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। নারকেলের দাম গত বারের থেকে দ্বিগুণ হয়েছে। একটি নারকেল বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়।

গুড়ের দাম এক কেজি ৬০ টাকা, সর্ষের তেল প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সাদা তেল ১৩০ টাকা কেজি। মুগ ডাল ১৬০ টাকা কেজি, মটর ও মুসুর ডাল ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হাওড়ার বিভিন্ন বাজারেও সব্জির দাম চড়া। একটি ফুলকপির দাম ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা, পটল ৮০-১২০ টাকা, বেগুন ১২০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম চড়া। পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ায় পরিবহণ খরচ বেড়েছে, যার ফলে ফলের দামও বেড়েছে।

দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের পকেটে চাপ বাড়ছে। পুজোর সময় খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবার সব্জির দাম বাড়ায় আরও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন গৃহবধূরা।

বৃষ্টির কারণে সব্জির ফসল নষ্ট হওয়ায় পুজোর আগে সব্জির দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এই দাম বাড়া সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।