মেট্রোর ভেতরে ছেঁড়া জিন্স পড়ে হিন্দি গানের তালে নাচ যুবতীর, ভিডিও ভাইরাল

অল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য ভরসা মেট্রোরেল। অফিস টাইমেই হোক বা রাতে ঘরে ফেরার জন্য, মেট্রোরেল অনেকের কাছেই মূল ভরসা। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের মেট্রোরেল আবারও শিরোনামে উঠে আসছে অন্য কারণে।

চলন্ত মেট্রোতে জনপ্রিয় হিন্দি গানের তালে নেচেছেন এক তরুণী। আর এর মাধ্যমে উপস্থিত সকল যাত্রীর নজর কেড়ে নিয়েছেন তিনি। এনিয়ে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে।

অবশ্য অনেকেই আবার মেট্রোতে যুবতীর এই নাচের বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেছেন। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যম বলছে, বলিউডের ‘স্ত্রী’ সিনেমার ‘আজ কি রাত’ গানের তালে নেচে মেট্রোতে কার্যত ঝড় তুলেছেন সাহেলি রুদ্র নামের এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে নাচের এই ভিডিওটি প্রকাশ করেছেন, আর এটি দেখেই হইচই পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

অবশ্য ভিডিওটি সম্পর্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আর নাচের ভিডিওটি পোস্ট করার সময় তিনি লিখেছেন, “অন পাবলিক ডিমান্ড”!

ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সাদা রঙের টপ ও হালফ্যাশনের ছেঁড়াফাটা জিন্স পরে ওই তরুণী মেট্রোর ভেতরে নাচ করছেন। গানটির ‘সিগনেচার স্টেপ’কে নকল করে তাকে নাচতে দেখা গেছে ওই ভিডিওটিতে। যা দেখে মেট্রোর যাত্রীদের অনেকেই হতবাক হয়ে গেছেন।

অনলাইনে অবশ্য কয়েকজন ব্যবহারকারী তরুণীর এই নাচের ও সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। আবার কয়েকজন ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী এই ভাবে মেট্রোর মধ্যে নাচের ভিডিও করার জন্য নিন্দা করেছেন।

একজন মন্তব্য করেছেন, “মানুষ তাদের স্থান, বোধ হারাচ্ছে; মেট্রোর কামরা নাচের জন্য সঠিক জায়গা নয়।” অন্য একজন ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, “ইন্ডিয়া’স গট ট্যালেন্ট” কিন্তু ভুল মঞ্চে প্রদর্শিত হয়েছে।

অন্য একজন লিখেছেন, “সবাই এখানে আপনার বিনোদনের জন্য আসেনি, দয়া করে এই কথাটি মনে রাখবেন।”

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Saheli Rudra | Influencer (@_sahelirudra_)

আরেকজন লিখেছেন, “এটি জনসাধারণের দাবি নয়। মিথ্যা বলবেন না। জনসাধারণ আপনার মতো মুক্ত নয়।” অন্যজন লিখেছেন, “এটি কোনও মঞ্চ নয়, এটি গণপরিবহন – কিছু লোক কেবল তাদের কাজে যাওয়ার চেষ্টা করছে।”

অবশ্য ‌এতো সমালোচনা সত্ত্বেও ভিডিওটি ১০ লাখ বার দেখা হয়েছে।