কঙ্গনাকে চড় মেরেছে, বেশ করেছে? পক্ষে-বিপক্ষে জমে উঠেছে লড়াই

বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াতকে চড় মারা সেই নারী কনস্টেবল বলেছেন, ‘আমি চাকরি হারানোর ভয় পাই না।’ শুক্রবার (০৭ জুন) মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে দেওয়া পোস্টে কুলবিন্দর কৌর এ কথা বলেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (সিআইএসএফ) কনস্টেবল কুলবিন্দর কৌরকে ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। এক্সে তিনি আরও লেখেন, ‘মায়ের সম্মানের জন্য হাজারও চাকরি ছাড়তে আমি প্রস্তুত রয়েছি।’

গতকাল বৃহস্পতিবার চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের চেকপোস্টে মোবাইল ফোন ট্রে’তে রাখা নিয়ে কঙ্গনার সঙ্গে কুলবিন্দরের তর্ক-বির্তক হয়। একপর্যায়ে তিনি হিমাচলের মান্ডি আসনে জয়ী কঙ্গনাকে চড় মারেন এবং তার বিরুদ্ধে ‘কৃষকদের অসম্মান’ করার অভিযোগ আনেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ২০২০ সালের কৃষক আন্দোলন নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন কঙ্গনা। এ নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন কুলবিন্দর। কঙ্গনা মন্তব্য করেছিলেন, দিল্লিজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করা কৃষক আন্দোলনে নারীরা ১০০ টাকার বিনিময়ে অংশ নিয়েছিলেন।

সেই বক্তব্যের জবাব দিয়ে কুলবিন্দর জানান, ওই আন্দোলনে তার মা-ও ছিলেন। একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘নারীরা ১০০ টাকায় কৃষক আন্দোলনে গিয়েছিল বলেছিলেন কঙ্গনা, উনি গিয়ে বসবেন ওখানে? আমার মা বসেছিলেন ওখানে। যখন উনি এমন মন্তব্য করছিলেন।’

সোশ্যাল মিডিয়া কার্যত দু’ভাগ। কেউ বলছেন, ‘উনি বীরাঙ্গনা। একদম ঠিক করেছেন।’ আবার উল্টো কথাও রয়েছে, ‘যতই রাগ থাকুক উর্দি পরা কেউ এ কাজ করতে পারেন না। কারণ তিনি ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় এই চড় মেরেছেন এটা বোঝাতে যে, তাঁর হাতে কত ক্ষমতা।’

আবার রাজনীতিকদের মধ্যে শিবসেনা(উদ্ধব) মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেছেন, ‘কেউ ভোট দেন, কেউ থাপ্পড় মারেন। কঙ্গনার জন্য আমার সিমপ্যাথি আছে, তবে কেউ অন্নদাতাদের অপমান করলে ও সেখানে যদি কারও মা থাকেন, এই রাগও স্বাভাবিক।’