BigNews: রামমন্দির নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য,TMC বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় দায়ের অভিযোগ

অসমাপ্ত রামমন্দিরে পুজো না দেওয়ার বিধান তৃণমূল বিধায়কের । এরপরই সামাজিক মাধ্যমে বিধায়কের বিরুদ্ধে হিন্দু অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ করে মন্তব্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর
তারকেশ্বর বিধানসভার বালিগড়ির একটি স্কুল মাঠে ব্রিগেড চলোর সমর্থনে জনগর্জন সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস । সেখানেই তারকেশ্বরের বিধায়ক তথা তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রামেন্দু সিংহ রায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “অপবিত্র এই রামমন্দিরে ভারতবর্ষের কোনও হিন্দু যেন পুজো দিতে না যায় । ওটা শুধু একটা শো-পিস তৈরি হয়েছে ।”
পোস্টে তিনি লেখেন,”আমি শুধুমাত্র তাঁর অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করি না, বরং সারা বিশ্বের হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত করে এমন ঘৃণ্য বিবৃতি দেওয়ার জন্য এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি ।”
বিজেপি বিধায়ক ও আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের রায়ে মোদিজীর উদ্যোগে রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয়েছে । আর তাঁকে তাচ্ছিল্য এবং অপমান করা হয়েছে । হিন্দু ধর্মীয় ভাবাবেগকে আঘাত করা হয়েছে । এর প্রতিবাদে আগামিদিনে আমরা রাস্তায় নামব । আমরা আরামবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি ।”
তৃণমূল বিধায়ক রামেন্দ্র সিংহ রায় বলেন, “আমার বক্তব্যের সিংহভাগ অংশ বাদ দিয়ে সামান্য একটু অংশকে তুলে ধরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী টুইট করেছেন । বিজেপির এই নোংরা রাজনীতি ও ধর্মীয় সুড়সুড়ি মানুষকে মিথ্যা প্রচারের মধ্যে রেখে বিভ্রান্ত করছে । এদেরকে চিনে নিন । আমার মূল বক্তব্য ছিল হিন্দুধর্মের চার শংকরাচার্য বিধান দিয়েছিলেন অসমাপ্ত মন্দিরে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা যাবে না । তাদের এই বিধান অগ্রাহ্য করে অপমান করে ওখানে নরেন্দ্র মোদি বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে পুজো করলেন শুধু রাজনৈতিক কারণে ।
এটাই তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের আসল প্রকৃতি। হিন্দুদের আক্রমণ করতে করতে তাদের দুঃসাহস এতটাই বেড়ে গেছে যে এখন তারা ভগবান শ্রী রামের পূণ্যময় মন্দির যা হিন্দুদের পবিত্র পীঠস্থান, সেই মন্দির কে 'অপবিত্র' আখ্যা দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।
তারকেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক – রামেন্দু… pic.twitter.com/f9t38M9NAp
— Suvendu Adhikari (Modi Ka Parivar) (@SuvenduWB) March 4, 2024
তিনিও আরও বলেন, “আমরা হিন্দুরা শংকরাচার্যদের দেখানো পথে হিন্দু ধর্মকে সমৃদ্ধ করি। যেখানে শংকরাচার্যের বিধানকে অগ্রাহ্য করে নিজেদের পেশী ও অর্থ বলে এই রাজনীতি করার জন্য মন্দিরে এই বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করল । এতে শংকরাচার্যদের অপমান করা হয়েছে । এটাই আমার বক্তব্যের মধ্যে উঠে এসেছে । আর সেখানে ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনীতি করার জন্য নোংরা প্রকৃতির শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে বিভ্রান্ত ছড়িয়ে অরাজকতার সৃষ্টি করছেন।”