বিয়ের পরেও পর্নে আসক্তি, এর ফল কি হতে পারে জেনেনিন

অনেক বিবাহিত পুরুষেরই পর্ন ছবি দেখার প্রতি আসক্তি রয়েছে। কেউ যৌনজীবনে রোমাঞ্চ আনতে পর্ন ছবি দেখেন, কেউবা আবার সুখী হতে।
সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, যেসব বিবাহিত পুরুষের পর্ন দেখার অভ্যাস রয়েছে, তাদের স্ত্রীরা যৌনজীবন নিয়ে সুখে হতে পারছেন না। এর প্রভাব পড়ছে তাদের সম্পর্কেও। সমীক্ষার রিপোর্টি ‘জার্নাল অফ সেক্স রিসার্চ’ এ প্রকাশিত হয়েছে।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, অধিকাংশ পুরুষই একাই পর্ন দেতে পছন্দ করেন, সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে নয়। তাদের সঙ্গীনীরা পুরুষদের এই অভ্যাস সম্পর্কে কী মনে করেন— এই নিয়েই সমীক্ষা করেন গবেষকরা। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৩ ভাগের ১ ভাগ নারীরই কিন্তু সঙ্গীর এই অভ্যাস পছন্দ নয়। তারা মনে করেন, পুরুষসঙ্গীর পর্নের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি তাদের সম্পর্কের বাঁধন আলগা করছে। পুরুষদের এই স্বভাবের কারণে তারা আত্মবিশ্বাসের অভাব বোধ করেন। শুধু তা-ই নয়, তারা যৌনতার প্রতি আগ্রহও হারিয়ে ফেলছেন।

গবেষকদের দাবি, পর্ন দেখার অভ্যাস সম্পর্কের উপর কতটা খারাপ প্রভাব ফেলে, প্রত্যেক দম্পতিকে তা জানানো উচিত। যেসব পর্ন ছবিতে অতিরিক্ত আগ্রাসী ভঙ্গিতে সঙ্গম দেখানো হয়, শুধু সেগুলোই যে সম্পর্কের ক্ষতি করছে তা নয়, সাধারণ নীলছবিও সম্পর্কের বাঁধন আলগা করার জন্য দায়ী। অতিরিক্ত পর্ন দেখলে কল্পনা ও বাস্তবের মাঝে ফারাক করার ক্ষমতা কমে যেতে থাকে। এর জেরে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। শরীর খারাপ হতে পারে। আর এই সবের প্রভাব পড়ে যৌন জীবনের উপর।

অতিরিক্ত পর্ন দেখার ফলে পুরুষদের ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে শিথিল যৌনাঙ্গের সমস্যা। পর্ন দেখার অভ্যাস হয়ে গেলে সঙ্গমকালে বিশেষ সুখ হয় না অনেকের। কারণ বাস্তবের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়। অতিরিক্ত পর্ন দেখলে নেশা হয়ে যেতে পারে। সেই আসক্তি ছাড়াতে সমস্যা হয়। যৌনজীবনের পাশাপাশি রোজের কাজকর্মেও এর প্রভাব পড়ে। অতিরিক্ত পর্ন দেখলে যৌনসঙ্গমের জন্য একাধিক সঙ্গীর খোঁজ করার প্রবণতা দেখা দেয়। তার ফলে যৌনবাহিত রোগেরও ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সূত্র: আনন্দবাজার

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *