মাছ-মাংস ছাড়াই জমজমাট ডিনার! ডিম ও মুসুর ডাল দিয়ে ঝটপট বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু ‘আমিষ ধোঁকার ডালনা’

ভালো রাঁধুনি মানেই যিনি কেবল সুস্বাদু রান্না জানেন তা নয়, বরং কম উপকরণে বুদ্ধি খাটিয়ে নতুন কিছু তৈরি করাও একজন দক্ষ গৃহিণীর বড় গুণ। অনেক সময়ই ফ্রিজে মাছ বা মাংস থাকে না, আবার রোজকার একঘেয়ে ডিমের ঝোল খেতেও আর ভালো লাগে না। ঠিক এই ধরনের পরিস্থিতিতে রাতের বা দুপুরের মেনুতে চমক আনতে পারেন একেবারে নতুন স্বাদের একটি পদ দিয়ে—’আমিষ ধোঁকার ডালনা’। ডিম ও মুসুর ডালের এই অভিনব রেসিপি যেমন ঝটপট তৈরি হয়, তেমনই স্বাদেও হয় অনন্য।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

ভিজিয়ে রাখা মুসুর ডাল: ১ বাটি

ডিম: ২টি

পেঁয়াজ, আদা, রসুন ও কাঁচালঙ্কা কুচি: ২ টেবিল চামচ

আলু: ১টি (ডুমো করে কাটা)

ফোরনের জন্য: জিরে ও তেজপাতা

মশলার জন্য: পেঁয়াজ, টমেটো, রসুন কোয়া (৫-৬টি), আদা কুচি ও কাঁচালঙ্কা

টক দই: ৩ টেবিল চামচ

গুঁড়ো মশলা: হলুদ, লঙ্কা, জিরে, ধনে ও গরম মশলা গুঁড়ো (১ চা চামচ করে)

রান্নার জন্য: তেল, নুন, মিষ্টি ও ঘি (১ টেবিল চামচ)

সহজ প্রণালী:

১. প্রথমে ভিজিয়ে রাখা মুসুর ডাল মিহি করে বেটে নিন। এবার তার মধ্যে ডিম, পেঁয়াজ কুচি, আদা কুচি, রসুন কুচি, কাঁচালঙ্কা কুচি ও পরিমাণমতো নুন দিয়ে খুব ভালোভাবে ফেটিয়ে বা মিশিয়ে নিন।

২. একটি স্টিলের পাত্রে ভালো করে তেল মাখিয়ে ডিম ও ডালের এই মিশ্রণটি ঢেলে দিন।

৩. এবার কড়াইতে জল গরম করে তার মধ্যে ওই পাত্রটি বসিয়ে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভাপে (Steam) সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হয়ে গেলে ঠান্ডা করে বরফির আকারে টুকরো করে কেটে নিন।

৪. কড়াইতে তেল গরম করে কেটে রাখা ধোঁকাগুলি সোনালি ও মুচমুচে করে ভেজে তুলে রাখুন।

৫. এরপর কড়াইতে তেল গরম করে জিরে ও তেজপাতা ফোরন দিয়ে আদা, রসুন, পেঁয়াজ, টমেটো ও কাঁচালঙ্কা বাটা দিয়ে দিন। মশলা থেকে তেল ছাড়লে সমস্ত গুঁড়ো মশলা এবং টক দই দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।

৬. মশলা কষানো হলে পরিমাণমতো জল ও আলু দিয়ে ফুটিয়ে নিন। আলু সেদ্ধ হয়ে ঝোল ফুটে উঠলে ভেজে রাখা ধোঁকাগুলি ঝোলে ছেড়ে দিন।

৭. নামানোর আগে উপর থেকে এক চামচ ঘি ও গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে দিলেই তৈরি গরম ভাতের সঙ্গে জম্পেশ খাওয়ার মতো ‘আমিষ ধোঁকার ডালনা’!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *