. “দেখে যান কী হয়!” হামিদুল-শিউলির পর এবার শোভনদেবের ঘরে কাজল শেখ, রাজনীতিতে বিজয়ার মিষ্টি মিছরি নাকি বিষ?

উৎসবের আবহ মিটতেই বিধানসভার অলিন্দ থেকে লালবাজার— জোড়া ধামাকায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! একদিকে বিধানসভার করিডরে নজিরবিহীন সৌজন্যের দৃশ্যকে ঘিরে দলবদলের জল্পনা তীব্রতর হয়েছে, অন্যদিকে দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি কাণ্ডে সিজিও (CGO) কমপ্লেক্সের বাইরে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।
হামিদুল-শিউলির পর এবার কাজল শেখ: শোভনদেবের ঘরে সৌজন্যের মিষ্টি মুখ
হামিদুল রহমান, সন্দীপন সাহা ও শিউলি সাহার পথ অনুসরণ করে এবার জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে হাসনের বিধায়ক কাজল শেখ। বুধবারে বিধানসভায় এক অভাবনীয় দৃশ্য দেখা যায়, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রবীণ বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নিজহাতে দেওয়া বিজয়ার মিষ্টি খেলেন ঋতব্রত-পন্থী বিধায়ক কাজল শেখ।
যদিও এই সাক্ষাৎকে নেহাতই “সৌজন্যমূলক” বলে দাবি করেছেন কাজল শেখ নিজে, কিন্তু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা এর মধ্যে গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ দেখতে পাচ্ছেন। ঘটনার পরপরই তৃণমূলের বর্ষীয়ান মুখপাত্র কুণাল ঘোষ একটি ইঙ্গিতপূর্ণ ও ধামাকাদার দাবি করে বলেন, “বহু বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, দেখতে থাকুন কী কী হয়!” কুণালের এই দাবির পর ঋত-শিবিরের বিধায়কদের ঘরওয়াপসির জল্পনা এখন তুঙ্গে।
CGO কমপ্লেক্স থেকে বেরোতেই কড়াকড়ি! প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করল লালবাজার
বিশেষ প্রতিনিধি, কলকাতা:
উৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই নজিরবিহীন প্রশাসনিক পদক্ষেপ! দুর্গাপুজোর পাস সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ।
বুধবার সল্টলেকের সিজিও (CGO) কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর গোয়েন্দাদের মুখোমুখি হয়ে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর বাইরে পা রাখতেই ইন্দ্রনীলকে পাকড়াও করে কলকাতা পুলিশের ডিডি (DD) স্পেশাল সেল।
পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্তে ক্রমাগত অসহযোগিতা করা এবং তথ্যে অসঙ্গতি থাকার গুরুতর অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে থেকে সরাসরি তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রীর এই আকস্মিক গ্রেফতারি রাজ্য রাজনীতির বাতাসে নতুন এক ঝড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।