মধ্যবিত্তের মন জয় করতে দারুণ লুকে বাজারে এলো ২০২৬ টিভিএস রাডিয়ন! নতুন ফিচার্স ও সস্তার দাম শুনলে চমকে যাবেন!

উৎসবের মরশুমে বাইকপ্রেমীদের জন্য বড় চমক নিয়ে এলো স্বনামধন্য টু-হুইলার প্রস্তুতকারক সংস্থা টিভিএস মোটর (TVS Motor)। সংস্থার অন্যতম জনপ্রিয় এবং জনপ্রিয় কমিউটার বাইক টিভিএস রাডিয়ন (TVS Radeon)-কে সম্পূর্ণ নতুন অবতারে ২০২৬ মডেল হিসেবে বাজারে লঞ্চ করা হয়েছে। আকর্ষণীয় নতুন গ্রাফিক্স, ঝকঝকে রঙের বিকল্প এবং অল-এলইডি (All-LED) লাইটিং সেটআপ দিয়ে সাজানো হয়েছে বাইকটিকে। উৎসবের এই মরশুমে বিক্রি বাড়াতেই নতুন ফিচার্সে সজ্জিত রাডিয়ন বাজারে আনল সংস্থাটি।
নতুন সংস্করণের ভ্যারিয়েন্ট ও এক্স-শোরুম দাম:
২০২৬ টিভিএস রাডিয়ন বাইকটি মোট তিনটি ভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে উপলব্ধ করা হয়েছে—বেস (Base), ডিজি ড্রাম (Digi-Drum) এবং ডিজি ডিস্ক (Digi-Disk)। ভারতের বাজারে আপডেটেড বাইকটির এক্স-শোরুম দাম রাখা হয়েছে ৬৭,১০০ টাকা থেকে শুরু করে ৭৩,১০০ টাকা পর্যন্ত।
বেস ভ্যারিয়েন্ট: ৬৭,১০০ টাকা (এক্স-শোরুম)। এর দাম আগের চেয়ে ১,২৫০ টাকা বেড়েছে।
ডিজি-ড্রাম ভ্যারিয়েন্ট: ৭০,১০০ টাকা (এক্স-শোরুম)।
ডিজি-ডিস্ক (টপ ভ্যারিয়েন্ট): ৭৩,১০০ টাকা (এক্স-শোরুম)। উল্লেখ্য, এই টপ মডেলটির দাম আগের চেয়ে প্রায় ৭,৫০০ টাকা কম রাখা হয়েছে!
ডিজাইন ও ফিচারে কী কী পরিবর্তন এলো?
নতুন টিভিএস রাডিয়নের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি এর লাইটিং সিস্টেমে দেখা গেছে। এখন পুরো সিরিজের প্রতিটি মডেলেই এল-ই-ডি ডেইটাইম রানিং লাইট (DRL)-সহ নতুন এলইডি হেডল্যাম্প, এলইডি টেল-ল্যাম্প এবং এলইডি টার্ন ইন্ডিকেটর স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে দেওয়া হচ্ছে।
বাইকটির চেনা ওভারঅল লুক ঠিক রেখে নতুন স্টাইলিশ গ্রাফিক্স এবং ডুয়াল-টোন কালার দেওয়া হয়েছে।
বেস ভ্যারিয়েন্টটি পাওয়া যাবে ব্ল্যাক অ্যান্ড ব্লু এবং ব্ল্যাক অ্যান্ড রেড রঙে।
ডিজি-ড্রাম ও ডিজি-ডিস্ক ভ্যারিয়েন্টে যোগ হয়েছে ব্ল্যাক অ্যান্ড অরেঞ্জ এবং রেড অ্যান্ড ব্ল্যাক ডিটি কালার অপশন।
সিকিউরিটির জন্য ডিজি-ডিস্ক ভ্যারিয়েন্টে ফ্রন্ট ডিস্ক ব্রেক থাকলেও বাকি দুটিতে ড্রাম ব্রেক দেওয়া হয়েছে।
পাওয়ারফুল ইঞ্জিন ও মাইলেজের পরিসংখ্যান:
যান্ত্রিক দিক থেকে বাইকটিতে নির্ভরযোগ্য ১০৯.৭ সিসির এয়ার অ্যান্ড অয়েল-কূলড ইঞ্জিন বজায় রাখা হয়েছে। এই ইঞ্জিনটি ৮ এইচপি (8hp) পাওয়ার এবং ৮.৭ এনএম (8.7Nm) টর্ক তৈরি করতে সক্ষম। এর সঙ্গে ৪-স্পিড গিয়ারবক্স যুক্ত রয়েছে।
সংস্থার দাবি অনুযায়ী, বাইকটি প্রতি লিটারে ৬৯.৩ কিলোমিটার (69.3 kmpl) মাইলেজ দিতে সক্ষম এবং এতে ১০ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হায়ার ভ্যারিয়েন্টগুলোতে রঙিন ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং ইউএসবি (USB) চার্জিং পোর্টের সুবিধা অব্যাহত রয়েছে, যা ১১০ সিসি কমিউটার সেগমেন্টে এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।