ভোটার তালিকায় নাম নেই? এবার সোজা আপনার শ্রমিক কলোনি ও নৈশ আশ্রয়ে আসছে নির্বাচন কমিশন!

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া কিংবা নতুন নাম নথিভুক্ত করার ঝঞ্ঝাট কাটাতে এবার এক অভিনব ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের পর ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজে আরও গতি আনতে এবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতরের পক্ষ থেকে শুরু হলো বিশেষ ড্রাইভ (Special Drive)। নতুন ভোটার, প্রথমবার ভোটার হওয়া তরুণ প্রজন্ম এবং বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবার একেবারে ঘড়দুয়ারে পৌঁছে যাবে কমিশন।
প্রাপ্ত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন থেকে সাধারণ নাগরিকরা শুধু নির্দিষ্ট দপ্তরেই নয়, বরং শ্রমিক কলোনি, নৈশ আশ্রয়স্থল (Night Shelter) এবং গৃহহীন মানুষের ডেরায় সরাসরি স্পেশাল ক্যাম্পের আয়োজন করবে জেলা নির্বাচন কর্তৃপক্ষ (DEO) ও ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা (ERO)। মূলত প্রান্তিক, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার প্রক্রিয়াকে সহজ ও ঝঞ্ঝাটহীন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ক কমিশনের মূল লক্ষ্য ও বার্তা:
নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বার্তা— “কোনও যোগ্য নাগরিক যাতে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন এবং কোনো অযোগ্য ব্যক্তি যাতে তালিকায় স্থান না পায়, উভয় দিকেই সমানভাবে নজর রাখা হবে।” যাঁদের নাম এখনও ভোটার তালিকায় ওঠেনি বা অতীতে নানা কারণে বাদ পড়ে গেছে, তাঁরা এখন যেকোনো সময় নাম নথিভুক্তকরণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
সচেতনতামূলক কর্মসূচি:
সাধারণ মানুষকে এই বিশেষ সুযোগ সম্পর্কে সচেতন করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় স্তরের সংযোগ কর্মসূচি এবং সুকৌশলী ‘স্লিপ’ (SVEEP) কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে লাগাতার প্রচার চালানো হবে।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের পক্ষ থেকে রাজ্যের সমস্ত যোগ্য নাগরিককে এই সুযোগ লুফে নিয়ে নিজেদের নাম ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত করা বা প্রয়োজনীয় সংশোধন করিয়ে নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ডেইলিয়ান্ট পাঠকদের জন্য এই সংক্রান্ত পরবর্তী যেকোনো আপডেটের প্রতি আমাদের নজর থাকবে।