পুজোয় কি মণ্ডপ ভাসাবে বৃষ্টি? মহালয়া থেকে দশমী আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের আপডেট দিল আবহাওয়া দপ্তর!

দুর্গাপুজোর আনন্দে মেতে ওঠার আবহেই দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের স্পষ্ট বার্তা দিলেন আবহাওয়াবিজ্ঞানীরা। সেই পরিবর্তনের সূচনা হচ্ছে আজই। ৭ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর অর্থাৎ বিজয়া দশমী পর্যন্ত সমগ্র রাজ্যজুড়ে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য রূপান্তর ঘটতে চলেছে।

প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকলেও মহালয়া ও পুজোর কয়েকটি দিনে রাজ্যজুড়ে বিক্ষিপ্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
Facebook

বর্ষার বিদায় ও আবহবিদদের বড় পূর্বাভাস
Facebook
বেসরকারি আবহাওয়া গবেষণা সংস্থা Weather Ultima-এর তরফ থেকে আবহবিদ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শেষ থেকেই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলা থেকে একটু একটু করে পিছিয়ে যেতে শুরু করবে। আগামী ৯ থেকে ১৩ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্য থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিতে পারে বর্ষা। বর্ষা বিদায়ের প্রাক্কালে বঙ্গোপসাগরে এই মুহূর্তে কোনো বড় ঘূর্ণিঝড় বা মারাত্মক নিম্নচাপের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। তাই অনর্থক আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।
Facebook

৭ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর: একনজরে দিনভিত্তিক আবহাওয়া বার্তা
৭ অক্টোবর (আজ): কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে বজায় থাকবে আর্দ্রতাজনিত চরম অস্বস্তি। দিনের যেকোনো সময়ে স্বল্পস্থায়ী মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। বাইরে বেরোনোর সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
Facebook

৮ থেকে ১০ অক্টোবর (মহালয়ার আগের দিন পর্যন্ত): দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর শেষ দফার সক্রিয়তা দেখা যাবে। আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে এবং বিক্ষিপ্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দমকা হাওয়ার দেখা মিলতে পারে। তবে শনিবার মহালয়ার দিন দ্বিতীয়ার্ধ (বিকেল) থেকে আবহাওয়ার দৃশ্যমান উন্নতি ঘটতে শুরু করবে।
Facebook
+ 1

১১ থেকে ১৪ অক্টোবর: রবিবার থেকে বুধবারের প্রথম ভাগ পর্যন্ত কলকাতার আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে ২২–২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে, ফলে মনোরম আবহাওয়ার অভিজ্ঞতা মিলবে। তবে জলাশয় সংলগ্ন এলাকাগুলিতে স্বল্পস্থায়ী শুষ্ক বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকছে।
Facebook

১৪ থেকে ১৭ অক্টোবর (পুজোর দিনগুলি): বুধবার বিকেলের পর থেকে শনিবার পর্যন্ত আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে স্থানীয়ভাবে বজ্রমেঘ তৈরি হয়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০–৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে। প্যান্ডেল পরিক্রমা বা ঠাকুর দেখার সময় ছাতা সঙ্গে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
Facebook

১৮ থেকে ২১ অক্টোবর (দশমী ও একাদশী): ফের শরতের পরিষ্কার ও নীল আকাশ ফিরে আসবে। সকালে ঠান্ডা বাতাসের আমেজ মিলবে এবং আবহাওয়া সার্বিকভাবে মনোরম থাকবে। তবে অতি স্থানীয়ভাবে কিছু জায়গায় হালকা পশরার বৃষ্টি হতে পারে।
Facebook
+ 1

বঙ্গোপসাগরে বড় কোনো ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ না থাকলেও স্থানীয়ভাবে সৃষ্টি হওয়া বজ্রমেঘ এবং হঠাৎ দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই আনন্দ উৎসবের মধ্যে ঠাকুর দেখতে বেরোনোর আগে আবহাওয়ার সাম্প্রতিক আপডেটে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *