“না চিঠি, না অনুমতি!” রাহুল গান্ধীর ধরনা কর্মসূচিকে ‘বেআইনি নাটক’ আখ্যা দিয়ে তোপ বিজেপির

লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর আচমকা ধরনা ও প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। নির্বাচন কমিশনের (ECI) বিরুদ্ধে বিরোধীদের সুর চড়ানোর মাঝেই এবার এই আন্দোলনের আইনি ও সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুর চড়ালো ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। রাজ্যসভার বিজেপি সংসদ তথা দলের জাতীয় মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধীর অবস্থানকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। সুধাংশু ত্রিবেদীর কড়া সওয়াল, “ধরনা দেওয়ার আগে প্রশাসনের কাছে কি কোনো নির্দিষ্ট চিঠি জমা দেওয়া হয়েছিল? না কোনো আগাম অনুমতি চাওয়া হয়েছিল? না চিঠি দেওয়া হয়েছে, না কোনো নিয়ম মেনে অনুমতি চাওয়া হয়েছে—তাহলে এটাকে কীভাবে আন্দোলন বলা যায়?” গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার চরম অবমাননা?বিজেপির শীর্ষ মুখপাত্রের দাবি, ভারতে গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ বা অবস্থান বিক্ষোভ জানানোরও নির্দিষ্ট আইনি পথ ও নিয়মকানুন রয়েছে। তা না মেনে খামখেয়ালিভাবে পথ অবরোধ ও ধরনায় বসা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর শামিল। বিরোধীদের মূল উদ্দেশ্য কোনো অর্থবহ স্মারকলিপি দেওয়া নয়, বরং সাধারণ মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করে রাজনীতি করা—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তপ্ত জাতীয় রাজনীতি, পাল্টা প্রত্যাঘাতের প্রস্তুতি কংগ্রেসের:রাহুলের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একে অপরের দিকে সুর চড়াচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। বিজেপি যখন একে ‘অগণতান্ত্রিক’ ও ‘পাবলিসিটি স্টান্ট’ বলে দাগিয়ে দিচ্ছে, তখন কংগ্রেস নেতৃত্বও ছেড়ে কথা বলতে নারাজ। সরকারের দমনপীড়নের বিরুদ্ধেই এই ধরনা বলে দাবি হাত শিবিরের। উভয় পক্ষের কাদা ছোড়াছুড়িতে ইতিমধ্যেই রাজধানীতে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে।