রাজবীরকে ‘সেলফিশ’ বলতেই তুলকালাম বিগ বস বাংলার ঘরে! কার ভুলে চির ধরল জীতু-মনামীদের অটুট জোটে?

‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরের অন্দরমহল মানেই নাটক, উত্তেজনা আর সম্পর্কের মারপ্যাঁচ। এখানে কোন মুহূর্তে কার সঙ্গে বন্ধুত্ব ভাঙবে আর কার সঙ্গে নতুন জোট তৈরি হবে, তা কেউ বলতে পারে না। আর ঠিক এমনই এক রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে রাজবীর দে, জীতু কমল, নন্দিনী দত্ত এবং মনামী ঘোষদের ঘিরে। এতদিন যাঁদের শক্তপোক্ত একটি দল হিসেবে একসঙ্গে লড়াই করতে দেখা যাচ্ছিল, সেই অটুট জোটে এবার দেখা দিল ভাঙনের সুর। সতীর্থদের মুখে রাজবীরকে উদ্দেশ করে এল ‘সেলফিশ’ বা স্বার্থপরের মতো বিস্ফোরক মন্তব্য!
কেন ভাঙল রাজবীর-জীতুদের শক্তিশালী টিম?
রিয়্যালিটি শোয়ের অন্দরে মতের অমিল বা ছোটখাটো মনোমালিন্য নতুন কিছু নয়। তবে এবারের পরিস্থিতি কেবল সাধারণ বাকবিতণ্ডায় আটকে থাকেনি। প্রতিযোগীদের অন্দরে গুঞ্জন, রাজবীরের কিছু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং গেম খেলার কৌশলগত আচরণ নিয়েই মূলত দানা বেঁধেছে ক্ষোভ।
প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, রাজবীরের সঙ্গে অন্যান্য প্রতিযোগীদের কথাবার্তা ও কার্যকলাপে শুরু থেকেই অস্বস্তি তৈরি হচ্ছিল। পরিস্থিতি গড়ায় এমন এক পর্যায়ে, যেখানে একে অপরের বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দিতে পিছপা হননি সতীর্থরা। জীতু কমল, নন্দিনী দত্ত ও মনামী ঘোষের সঙ্গে রাজবীরের এই দূরত্বের ফলে জল্পনা শুরু হয়েছে—তবে কি সত্যিই ভেঙে গেল এই হাই-প্রোফাইল গ্রুপ? নাকি গেমের স্বার্থে এটি নিছকই একটি কৌশলগত দূরত্ব?
মুখোমুখি রাজবীর ও সতীর্থরা
হালকা কথাবার্তা থেকে শুরু হওয়া আলোচনা মুহূর্তের মধ্যে উত্তপ্ত তর্কে রূপ নেয়। রাজবীরের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাকিরা। সেখানেই তাঁকে লক্ষ্য করে সরাসরি ‘সেলফিশ’ তকমা দেওয়া হয়। এই আকস্মিক কোন্দলে শোয়ের বাকি প্রতিযোগীরাও নড়েচড়ে বসেছেন।
দর্শকদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—এটি কি কেবলই খেলার খাতিরে সাময়িক মনোমালিন্য, নাকি পাকাপাকিভাবে ভেঙে গেল রাজবীর ও জীতু-নন্দিনীদের বন্ধুত্ব? খেলার সমীকরণ যত এগোচ্ছে, সম্পর্কের রঙও তত বদলাচ্ছে। এখন পরবর্তী পর্বগুলিতে রাজবীর ও তাঁর সহ-প্রতিযোগীদের সম্পর্ক কোন মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে দর্শকদের। আপাতত বিগ বসের ঘরে এই নতুন ফাটলই সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।