৫ হাজার টাকায় জাল সার্টিফিকেট! বছরভর ভাতার টাকা পাওয়ার পর এ কোন বিপদে পড়লেন মালদার প্রতিবন্ধী ব্যক্তি?

শংসাপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাহাদুরপুর এলাকায়। অভিযোগ, প্রায় পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে রথুয়া দাস নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির একটি সার্টিফিকেট বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই জালিয়াতির সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে তিনি প্রায় এক বছর ধরে নিয়মমাফিক প্রতিবন্ধী ভাতাও পেয়ে আসছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি হঠাৎ করে ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যখন ব্লক অফিসে খোঁজ নেওয়া হয়, তখনই ওই সার্টিফিকেটটি সম্পূর্ণ জাল বলে প্রকাশ্যে আসে।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সাহায্যের আশায় ঘুরেও যখন সাধারণ উপায়ে সার্টিফিকেট মিলছিল না, সেই সময় দালালচক্রের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে প্রায় পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে ওই শংসাপত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই কাগজ জমা দেওয়ার পরেই গত এক বছর ধরে নিয়মিত অ্যাকাউন্টেই ঢুকছিল ভাতার টাকা।

তবে হঠাৎ করেই ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সন্দেহ হয় পরিবারের। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্লক উন্নয়ন দফতরে যোগাযোগ করা হলে আধিকারিকরা জানান যে ওই সার্টিফিকেটটির কোনো বৈধতা নেই এবং এটি সম্পূর্ণ জাল। আর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতেই মাথায় হাত পড়েছে ওই দরিদ্র পরিবারের। কীভাবে সরকারি দফতরকে ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই জাল সার্টিফিকেট চালাল চক্রটি এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত, তা নিয়ে এখন তীব্র প্রশাসনিক তদন্তের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *