পুজোয় বাড়ি ফেরা নিয়ে আর চিন্তা নেই! একসঙ্গে নতুন ৩ জোড়া স্পেশ্যাল ট্রেনের ঘোষণা করল ভারতীয় রেল

আসন্ন উৎসবের মরশুম ও দুর্গাপুজোয় যাত্রীদের যাতায়াত আরও সুগম করতে বড় পদক্ষেপ করল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। পুজোর ভিড় সামাল দিতে নতুন করে আরও তিন জোড়া স্পেশ্যাল ট্রেন (Puja Special Train) চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা থেকে কানপুর, আগ্রা এবং আসানসোল থেকে ঝাঁসি রুটে এই স্পেশ্যাল ট্রেনগুলি চলাচল করবে।
কোন রুট এবং কবে থেকে চলবে এই ট্রেনগুলি?
কলকাতা-কানপুর রুট: কানপুর থেকে কলকাতা স্পেশ্যাল (০৪১৫৭) ট্রেনটি ৬ অক্টোবর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি মঙ্গলবার মোট ৮টি ট্রিপ দেবে। কানপুর থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে এটি পরদিন ভোর ৪টে ৫ মিনিটে কলকাতায় পৌঁছাবে। অন্যদিকে, কলকাতা থেকে কানপুর স্পেশ্যাল (০৪১৫৮) ট্রেনটি ৭ অক্টোবর থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার মোট ৮টি ট্রিপ করবে। কলকাতা থেকে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে ছেড়ে এটি পরদিন রাত ১টা ২৫ মিনিটে কানপুর পৌঁছাবে। এই ট্রেনগুলিতে জেনারেল, স্লিপার ও এসি—সব ধরনের কোচই থাকছে। নৈহাটি, ব্যান্ডেল, বর্ধমান, দুর্গাপুর এবং আসানসোলে এর স্টপেজ রয়েছে।
কলকাতা-আগ্রা রুট: আগ্রা থেকে কলকাতা স্পেশ্যাল (০১৯১১) ট্রেনটি ১ অক্টোবর থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার মোট ৯টি ট্রিপ দেবে। আগ্রা থেকে ভোর ৩টে ৪০ মিনিটে ছেড়ে এটি পরদিন ভোর ৪টে ৫ মিনিটে কলকাতায় পৌঁছাবে। অন্যদিকে, কলকাতা থেকে আগ্রা স্পেশ্যাল (০১৯১২) ট্রেনটি ২ অক্টোবর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার মোট ৯টি ট্রিপ করবে। কলকাতা থেকে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে ছেড়ে এটি পরদিন সকাল ৮টায় আগ্রায় পৌঁছাবে। এই ট্রেনটিরও নৈহাটি, ব্যান্ডেল, বর্ধমান, দুর্গাপুর ও আসানসোলে স্টপেজ রয়েছে।
আসানসোল-ঝাঁসি রুট: ঝাঁসি থেকে আসানসোল স্পেশ্যাল (০৪১৮৫) ট্রেনটি ৭ অক্টোবর থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার ও রবিবার মোট ১৬টি ট্রিপ করবে। ঝাঁসি থেকে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ছেড়ে এটি পরদিন দুপুর ২টো ৪৫ মিনিটে আসানসোলে পৌঁছাবে। অন্যদিকে, আসানসোল থেকে ঝাঁসি স্পেশ্যাল (০৩১৮৬) ট্রেনটি ৮ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার ও সোমবার মোট ১৬টি ট্রিপ করবে। আসানসোল থেকে বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে ছেড়ে এটি পরদিন সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে ঝাঁসিতে পৌঁছাবে। এই রুটের ট্রেনগুলির চিত্তরঞ্জন, মধুপুর ও জসিডিতে স্টপেজ থাকবে।
রেলের এই নতুন স্পেশ্যাল ট্রেন চালুর ফলে উৎসবের মরশুমে সাধারণ যাত্রীরা ভিড় এড়িয়ে অনেকটাই স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।