রাতে হাত ধরে রোম্যান্স, আর সকালেই চরম আঘাত! ‘বিগ বস’-এ নন্দিনীকে কেন লাল রং দিলেন রাজবীর?

‘বিগ বস’-এর ঘর মানেই পরতে পরতে চমক আর নাটকীয়তার ঘনঘটা! কখন কার সঙ্গে কার সম্পর্ক তৈরি হয় আর কখন কার সমীকরণ বদলে যায়, তা আগে থেকে আঁচ করা বেশ কঠিন। আর ঠিক এমনই এক ১৮০ ডিগ্রি মোড় দেখা গেল রাজবীর দে এবং নন্দিনী দত্তর সম্পর্কে। যে রাজবীরের ব্যবহারে মুগ্ধ ছিলেন নন্দিনী, সেই রাজবীরের কাণ্ড দেখে এবার চোখ কপালে উঠেছে দর্শকদের।
রাতে হাত ধরে মিষ্টি আলাপ, সকালেই বদলে গেল সমীকরণ!
এর আগের দিনই সারাদিনের মন কষাকষির পর রাতে বিছানায় পাশাপাশি শুয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল রাজবীর ও নন্দিনীকে। নন্দিনীর হাত শক্ত করে ধরে রাজবীর ফিসফিস করে বলেছিলেন, “তুমি এত স্ট্রং? আসলে তুমি যোগ্য বলেই আমি ওদের খেলায় একটু কাঠি করেছি।” রাজবীরের মুখে এমন প্রশংসা শুনে লজ্জায় রাঙা হয়ে উঠেছিলেন নন্দিনী।
কিন্তু উইকেন্ডে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দাদার দরবার’-এ ঘটল উল্টো ঘটনা। সৌরভ একটি খেলা দেন, যেখানে পছন্দের মানুষকে ‘সবুজ’ এবং অপছন্দের মানুষকে ‘লাল’ রং লাগাতে বলা হয়। নন্দিনী কোনো দ্বিধা না করেই রাজবীরকে ‘পছন্দের’ তালিকায় রেখে সবুজ রং মাখিয়ে দেন। কিন্তু রাজবীরের পালা আসতেই পুরো হিসেব বদলে যায়! তিনি পছন্দের মানুষ হিসেবে বেছে নেন তনুশ্রীকে এবং অপছন্দের তালিকায় রাখেন নন্দিনীকে।
তবে শুধু লাল রং মাখিয়েই ক্ষান্ত হননি রাজবীর; নন্দিনীর গালে লাল রং দিয়ে একটি ‘হৃদয়’ (Love Symbol) এঁকে দেন। এর কারণ হিসেবে রাজবীর জানান, ভরত কলের সঙ্গে তাঁর ঝামেলার পর নন্দিনী প্রতিপক্ষ দলের সঙ্গে বসে হাসাহাসি করেছিলেন, যা তিনি মেনে নিতে পারেননি।
সৌরভের চরম ক্ষোভ ও ‘ডেঞ্জার জোন’-এর তালিকা:
এদিকে শো-এর ভেতরে বারবার বারণ করা সত্ত্বেও প্রতিযোগীরা অনবরত ইংরেজিতে কথা বলতে থাকায় উইকেন্ডের পর্বে রীতিমতো মেজাজ হারান সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।
এরপর আসে সবথেকে উত্তেজনাকর এলিমিনেশন পর্ব। বাক্স ফাটিয়ে লাল রং পেয়ে এ সপ্তাহের জন্য ‘ডেঞ্জার জোন’-এ চলে গেছেন—
দুর্নিবার সাহা
জয়িতা চ্যাটার্জি
সৃজলা গুহ
আলেকজান্দ্রিয়া
অন্যদিকে ভাগ্যবশত বাক্স থেকে সবুজ রং পেয়ে নিরাপদে সেফ জোনে জায়গা করে নিয়েছেন দীপেন্দু বিশ্বাস ও ভরত কল। এখন দেখার বিষয়, রোববারের পর্বে ভাগ্যদেবী কার সঙ্গ ছাড়েন এবং কাকে বিদায় জানাতে হয় বিগ বসের ঘর!