৭ বছর বয়সে হাতেখড়ি, বিরাট কোহলিকে দেখেই স্বপ্নপূরণ! ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পেল বাংলার এই তরুণ

বাংলার ক্রিকেট মহলে ফের এক রূপকথার সাফল্যের গল্প। দুর্গাপুরের সাধারণ এক প্রশিক্ষণ শিবির থেকে শুরু হয়েছিল যে পথচলা, আজ তা গিয়ে ঠেকেছে ভারতের জাতীয় যুব দলের দোরগোড়ায়। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজের জন্য ঘোষিত ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে জায়গা করে নিলেন বাংলার প্রতিভাবান উইকেটকিপার-ব্যাটার অভিপ্রায় বিশ্বাস।
সংগ্রাম থেকে সাফল্যের শিখরে: মাত্র সাত বছর বয়সে ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয়েছিল অভিপ্রায়ের। দুর্গাপুরের গণ্ডি পেরিয়ে বর্ধমানের ‘বড়শুল ইয়ং মেন্স অ্যাসোসিয়েশন’ (বাইমা) এবং সেখান থেকে কলকাতা ময়দান—প্রতিটি ধাপে কঠোর পরিশ্রম ও পারফরম্যান্সের জোরে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। চার বছর আগে বাংলা দলে সুযোগ পাওয়ার পর কোচবিহার ট্রফি ও সি কে নাইডু ট্রফিতে ব্যাট হাতে রান করার পাশাপাশি উইকেটের পিছনে তাঁর ক্ষিপ্রতা নজর কাড়ে জাতীয় নির্বাচকদের। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে স্কিল টেস্টে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই আসে এই খুশির খবর।
বিরাট কোহলিই তাঁর আসল অনুপ্রেরণা: পেশায় চিকিৎসক বাবা পঙ্কজকুমার বিশ্বাস ও গৃহবধূ মা অলোকা বিশ্বাসের সন্তান অভিপ্রায়ের ক্রিকেটীয় আদর্শ হলেন মহাতারকা বিরাট কোহলি। বিরাটের মানসিকতা এবং লড়াইয়ের জেদকেই নিজের অনুপ্রেরণা মানেন এই তরুণ। ইতিমধ্যে সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি তাঁর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে উৎসাহিত করেছেন এবং দুটি ব্যাট উপহার দিয়েছেন। দুর্গাপুরের সুকান্তপল্লির এই তরুণের হাত ধরে এখন জাতীয় দলের জার্সিতে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলা।