উৎসবের আগেই বাজারে চরম চিনির আকাল! মিলছে না ইচ্ছেমতো, কড়া সীমা বাঁধল ব্লিংকিট-সুইগি

আসন্ন উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে চড়চড়িয়ে বাড়ছে চিনির দাম। শুধু চড়া মূল্যবৃদ্ধিই নয়, সাধারণ ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে এবার চিনি কেনার পরিমাণের ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা শুরু হয়েছে। বাজারে সরবরাহের ঘাটতি ও দামের লাগাম টানতে এবার সরাসরি কড়াকড়ি শুরু করল দেশের প্রথমসারির কুইক কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি।
কুইক কমার্স অ্যাপে চিনির কোটা
গ্রাহকদের চাহিদামতো ইচ্ছেমতো চিনি পাওয়ার দিন বুঝি ফুরোল। ব্লিংকিট (Blinkit), সুইগি ইনস্টামার্ট (Swiggy Instamart) এবং জেপ্টো (Zepto)-র মতো জনপ্রিয় কুইক কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এখন থেকে গ্রাহকরা চাইলেই আর যত খুশি তত পরিমাণ চিনি কিনতে পারবেন না। প্রত্যেকের জন্য ক্রয়ের সর্বোচ্চ সীমা বা কোটা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী:
সুইগি ইনস্টামার্ট: এই প্ল্যাটফর্মে এখন থেকে একজন গ্রাহক একবারে মাত্র ১ কেজি চিনির অর্ডার দিতে পারবেন।
ব্লিংকিট: দিল্লি এবং সংলগ্ন জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের গ্রাহকদের জন্য একবারে সর্বোচ্চ ৫ কেজি পর্যন্ত চিনি সরবরাহ করা হচ্ছে। অ্যাপের স্ক্রিনে পরিষ্কার উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে, ‘এই পণ্য আমাদের কাছে সীমিত পরিমাণই রয়েছে।’
সরকারের পূর্ব পদক্ষেপ ও বর্তমান পরিস্থিতি
এর আগে থেকেই বাজারের কালোবাজারি রুখতে এবং মজুতদারিতে লাগাম টানতে বড় ব্যবসায়ীদের জন্য চিনি কেনার নির্দিষ্ট সীমা বা স্টক লিমিট বেঁধে দিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। তবে পাইকারি বাজারের পর এবার সাধারণ মানুষের খুচরা কেনাকাটার ক্ষেত্রেও সেই কড়াকড়ির প্রভাব পড়তে শুরু করল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উৎসবের মুখে চিনির এই জোগানের ঘাটতি এবং কুইক কমার্স অ্যাপগুলির কড়া বিধিনিষেধ সাধারণ মানুষের পকেটে ও দৈনন্দিন রান্নার খরচে আরও বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।