শুধু সরকার নয়, বদলল কাজের পুরো ব্যবস্থা! শিলিগুড়ির মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শুধু রাজনৈতিক দলের পরিবর্তন নয়, পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক কাজের ব্যবস্থার আমূল বদল করা হয়েছে। শিলিগুড়ির কাওয়াখালি ময়দানে এক কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে এমনই জোরালো মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে বিগত সরকারের আমলে জনগণনার কাজ আটকে রাখা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।
নেতৃত্বের বড় তিন পদক্ষেপ:
ক্ষমতায় এসেই প্রশাসনিক ব্যবস্থার গতি বাড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান প্রশাসন। যার মধ্যে অন্যতম হলো:
-
সীমান্ত ও জাতীয় সুরক্ষা: দেশের সুরক্ষার স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের ফাইলে প্রথম স্বাক্ষর করেন মুখ্যমন্ত্রী, যা নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
-
জনগণনা (Census): রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিগত সরকার যে জনগণনা আটকে রেখেছিল, তা দ্রুত চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্য সচিবকে।
-
ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS): সারা দেশে বলবৎ হলেও বাংলায় এতদিন আটকে থাকা ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ এ রাজ্যে অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ডাক:
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দেশপ্রেম ও সুরক্ষার বিষয়ে রাজ্য সরকার কোনো আপস করবে না। তাঁর কথায়, “দেশ চলবে আলাদা ভাবে, রাজ্য চলবে আলাদা ভাবে—এটা হতে পারে না। শাসকের আইন নয়, রাজ্যে এখন আইনের শাসন চলছে। নতুন এই আইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে মানুষ দ্রুত বিচার পাবেন।”
বিশেষ এই প্রদর্শনীতে নতুন প্রজন্ম এসে নতুন আইন বা ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও জানাতে পারবে বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে।