পুজোর আগেই বড় ধামাকা! শহরের নামী মিষ্টির দোকানে ফুড সেফটির হানা, পনির-তেলের নমুনা দেখে চোখ কপালে?

উৎসবের মরসুম দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। আর ঠিক তার আগেই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে চরম তৎপরতা শুরু করল প্রশাসন। ভেজাল খাবারের রমরমা রুখতে এবং জনসাধারণ যাতে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ খাদ্যদ্রব্য পান তা নিশ্চিত করতে এবার আসরে নামল খাদ্য সুরক্ষা বিভাগ। রাজস্থানের ধোলপুর জেলায় প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপে অসাধু ব্যবসায়ী ও ভেজাল কারবারিদের মধ্যে হাড়হিম করা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধান চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (CMHO) ডঃ ধরম সিং মীনার সরাসরি নেতৃত্বে খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকদের একটি বিশেষ দল শহরের বেশ কিছু প্রধান মিষ্টির দোকান এবং বড় বড় খাদ্য প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক হানা দেয়। উৎসবের মৌসুমে বাজারে মিষ্টি ও তেলের চাহিদা তুঙ্গে থাকায়, খাবারের মান যাচাই করতেই এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়।

এদিন শহরের নামী প্রতিষ্ঠানগুলিতে হানা দিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক নমুনা সংগ্রহ করে প্রশাসন। অভিযان চলাকালীন—

  • বিকানের সুইটস স্টোর থেকে ফেস্টিভ ফেভারিট ‘ঘেভার’ এবং রান্নার তেলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

  • মোর মুকুট সুইটস স্টোর থেকে পনির এবং বারবার ব্যবহার করা (রি-ইউজড) রান্নার তেলের নমুনা বাজেয়াপ্ত করা হয়।

  • যোধপুর সুইটস স্টোর থেকে মাওয়া বা ক্ষীর দিয়ে তৈরি বরফি ও অন্যান্য মিষ্টির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে নমুনা

খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের দল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, ঘটনাস্থল থেকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সংগৃহীত সমস্ত খাদ্য নমুনা সিল করে পরীক্ষার জন্য রাজ্য-স্তরের খাদ্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। ল্যাবরেটরির রিপোর্ট হাতে আসার পরেই স্পষ্ট হবে খাবারে কতটা ভেজাল ছিল। সংশ্লিষ্ট দফতরের স্পষ্ট বার্তা, পরীক্ষার রিপোর্টে যদি কোনও খাবার নিম্নমানের বা ভেজালযুক্ত বলে প্রমাণিত হয়, তবে অভিযুক্ত বিক্রেতা ও ওই সমস্ত বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিন্দু মাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রশাসনের এই জোড়া ফলায় উৎসবের বাজারে মিষ্টির মান নিয়ে প্রশ্ন তো তুলেছেই, সেই সঙ্গে অসাধু ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

উৎসবের মরসুম দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। আর ঠিক তার আগেই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে চরম তৎপরতা শুরু করল প্রশাসন। ভেজাল খাবারের রমরমা রুখতে এবং জনসাধারণ যাতে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ খাদ্যদ্রব্য পান তা নিশ্চিত করতে এবার আসরে নামল খাদ্য সুরক্ষা বিভাগ। রাজস্থানের ধোলপুর জেলায় প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপে অসাধু ব্যবসায়ী ও ভেজাল কারবারিদের মধ্যে হাড়হিম করা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধান চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (CMHO) ডঃ ধরম সিং মীনার সরাসরি নেতৃত্বে খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকদের একটি বিশেষ দল শহরের বেশ কিছু প্রধান মিষ্টির দোকান এবং বড় বড় খাদ্য প্রতিষ্ঠানে আকস্মিক হানা দেয়। উৎসবের মৌসুমে বাজারে মিষ্টি ও তেলের চাহিদা তুঙ্গে থাকায়, খাবারের মান যাচাই করতেই এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়।

এদিন শহরের নামী প্রতিষ্ঠানগুলিতে হানা দিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক নমুনা সংগ্রহ করে প্রশাসন। অভিযان চলাকালীন—

  • বিকানের সুইটস স্টোর থেকে ফেস্টিভ ফেভারিট ‘ঘেভার’ এবং রান্নার তেলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

  • মোর মুকুট সুইটস স্টোর থেকে পনির এবং বারবার ব্যবহার করা (রি-ইউজড) রান্নার তেলের নমুনা বাজেয়াপ্ত করা হয়।

  • যোধপুর সুইটস স্টোর থেকে মাওয়া বা ক্ষীর দিয়ে তৈরি বরফি ও অন্যান্য মিষ্টির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে নমুনা

খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের দল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, ঘটনাস্থল থেকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সংগৃহীত সমস্ত খাদ্য নমুনা সিল করে পরীক্ষার জন্য রাজ্য-স্তরের খাদ্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। ল্যাবরেটরির রিপোর্ট হাতে আসার পরেই স্পষ্ট হবে খাবারে কতটা ভেজাল ছিল। সংশ্লিষ্ট দফতরের স্পষ্ট বার্তা, পরীক্ষার রিপোর্টে যদি কোনও খাবার নিম্নমানের বা ভেজালযুক্ত বলে প্রমাণিত হয়, তবে অভিযুক্ত বিক্রেতা ও ওই সমস্ত বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিন্দু মাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রশাসনের এই জোড়া ফলায় উৎসবের বাজারে মিষ্টির মান নিয়ে প্রশ্ন তো তুলেছেই, সেই সঙ্গে অসাধু ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *