পুজোর আগে ২০% ডিএ ঘোষণা করলেও এই কর্মীদের কপালে কিচ্ছু নেই! রাজ্যকে কড়া আক্রমণ কনফেডারেশনের

একদিকে সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) মামলার শুনানি পিছিয়ে যাওয়ার জেরে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সময়ও দ্রুত পেরিয়ে চলেছে। রাজ্য সরকার পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মেটানোর দিকে কিছু পদক্ষেপ করলেও, ২০০৯ সালের রোপা (ROPA) মেনে গ্রান্ট-ইন-এইড (Grant-in-aid) এবং কলকাতা পৌর কর্পোরেশন (KMC) এলাকার বহু কর্মী ও পেনশনভোগী এখনও বকেয়া ডিএ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন বলে জোরালো অভিযোগ তুলেছে ‘কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ’।
কী অভিযোগ তুলেছে কনফেডারেশন?
সম্প্রতি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পুজোর আগে সরকারি কর্মীদের জন্য বড় আর্থিক ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাস অর্থাৎ পুজোর আগেই মূল বেতনের সঙ্গে ২০ শতাংশ হারে অতিরিক্ত ডিএ বা মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি রাজ্য ও কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধীরে ধীরে কমিয়ে আনারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
তবে এই ঘোষণার মাঝেই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, “০১/০৪/২৬ থেকে ৪% ডিএ অধরা। অথচ পুজোর আগে বেতনের সঙ্গে কুড়ি শতাংশ ডিএ এই বার্তা আর কতবার শুনতে হবে?” মলয়বাবুর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, রাজ্য সরকার সাধারণ সরকারি কর্মীদের বকেয়া মেটানোর কথা বললেও—
গ্রান্ট-ইন-এইড প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা,
এবং কলকাতা কর্পোরেশন (KMC) এলাকায় বসবাসকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা বা পেনশনভোগীরা কেন এখনও বকেয়া ডিএ পাচ্ছেন না, সেই বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট বার্তা মিলছে না।
সরকারি আদেশনামা জারি হওয়া সত্ত্বেও কেএমসি এলাকার পেনশনভোগীরা কেন বকেয়া মহার্ঘ ত্রাণ থেকে বঞ্চিত থাকছেন, সেই প্রশ্ন তুলেও বারবার সরব হয়েছেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টের শুনানির জট এবং বকেয়া মেটানোর এই টানাপোড়েনের মাঝে শেষ পর্যন্ত কবে এই বিশেষ কর্মীদের কপালে ডিএ জোটে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।