অষ্টম পে কমিশন নিয়ে বিরাট আপডেট! এন্ট্রি লেভেলেই মূল বেতন সোজা বেড়ে ৫৪,০০০ টাকা?

বাংলায় সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার জল্পনা এবং ২০২৭ সালের শুরুর দিকে তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনার মাঝেই কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় স্তরের সরকারি কর্মচারীদের (Government Employees) মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে চর্চা এখন তুঙ্গে। নতুন বেতন কাঠামোতে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর এবং স্যালারি হাইকিং নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন কর্মচারী ইউনিয়নগুলির দাবি, নতুন কাঠামোতে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৩-এর বেশি হওয়া উচিত, যদিও কমিশন এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো ইঙ্গিত দেয়নি।
বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, অষ্টম পে কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে জমা পড়তে পারে। এর পরেই ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর এবং নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আসবে।
ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ও সম্ভাব্য বেতন বৃদ্ধি
মূলত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হলো একটি গুণক, যার সাহায্যে পুরনো বেতন কাঠামোকে সংশোধিত নতুন বেতন স্কেলে রূপান্তর করা হয়। সপ্তম বেতন কমিশনের সময় এই ফ্যাক্টরটি ছিল ২.৫৭, যার ফলে ন্যূনতম মূল বেতন ৭,০০০ টাকা থেকে একলাফে বেড়ে ১৮,০০০ টাকায় পৌঁছেছিল। তবে এবার অষ্টম পে কমিশনের ক্ষেত্রে কোন প্রস্তাব গৃহীত হবে, তা নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে কৌতূহল চরমে।
বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন ও ইউনিয়নগুলির তরফ থেকে নতুন পে কমিশনে বড় ধরনের প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে:
লেভেল ১ থেকে ৫: সর্বনিম্ন আয়ের কর্মীদের জন্য ৩.০০ গুণ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বা বর্তমান বেসিক পে-এর ৩ গুণ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে এন্ট্রি লেভেলে ন্যূনতম বেতন ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে সোজা ৫৪,০০০ টাকা হতে পারে।
লেভেল ৬ থেকে ১২: সুপারভাইজারি ও টেকনিক্যাল পদের দায়িত্ব ও কাজের পরিধি বিবেচনা করে ৩.০৫ থেকে ৩.১০ গুণ বৃদ্ধির প্রস্তাব আনা হয়েছে।
লেভেল ১৬ ও তদূর্ধ্ব: উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের ক্ষেত্রে ৩.২৫ গুণ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
সার্বিকভাবে, এই প্রস্তাবগুলি যদি শেষ পর্যন্ত গৃহীত হয়, তবে দেশের লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এক বিশাল আর্থিক সুবিধা পেতে চলেছেন। এখন নজর রয়েছে কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্টের দিকে।