আধার কার্ড আপডেট না করলেই বড় বিপত্তি! আজই সেরে নিন এই ৬টি কাজ, না হলে হাত কামড়াতে হবে

আজকের দিনে দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ কিংবা ব্যাঙ্ক— প্রতিটি পদক্ষেপে আধার কার্ড একটি অত্যন্ত অপরিহার্য সরকারি নথি। কিন্তু মুশকিল হলো, অনেকেই একবার এই কার্ড তৈরি করানোর পর তা আর আপডেট করার কথা মনে রাখেন না। ফলে পুরনো ব্যক্তিগত তথ্য বা ঠিকানা থেকেই যায়। আর এই সামান্য ভুলেই ভবিষ্যতে বড়সড় বিপদে পড়তে পারেন আপনি। কোন কোন পরিস্থিতিতে আধার কার্ড আপডেট করা অতি জরুরি, তা একনজরে দেখে নিন:
ঠিকানা বদল: স্থায়ী ঠিকানা বা শহর পরিবর্তন হলে আধার কার্ডে নতুন ঠিকানা আপডেট করা অত্যন্ত বাধ্যতামূলক। অন্যথায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা, লোন পাওয়া বা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে বড় বাধা আসতে পারে।
মোবাইল নম্বর পরিবর্তন: আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বরেই সমস্ত ওটিপি (OTP) আসে। নম্বর বদলালে এবং তা আধারে আপডেট না করালে জরুরি ডিজিটাল পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
নাম বা জন্মতারিখে ভুল: নিজের বা অভিভাবকের নামের বানান কিংবা জন্মতারিখে সামান্য ভুল থাকলেও তা অবিলম্বে সংশোধন করে নেওয়া উচিত।
বায়োমেট্রিক আপডেট: শিশুদের জন্য তৈরি ‘বাল আধার’ বড় হওয়ার পর আপডেট করতে হয়। পাশাপাশি, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ১০ বছর অন্তর সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কদের বায়োমেট্রিক তথ্য আপডেট করা আবশ্যক।
চেহারার সঙ্গে ছবির অমিল: সময়ের সঙ্গে চেহারায় পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। যদি আধার কার্ডের ছবির সঙ্গে বর্তমান চেহারার বড় ফারাক থাকে, তবে ছবি আপডেট করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
ফেস অথেনটিকেশন ফেলিওর: ব্যাঙ্কিং, টেলিকম বা সরকারি পোর্টাল ব্যবহারের সময় ফেস স্ক্যান বা ফেস অথেনটিকেশনে বারবার ব্যর্থ হলে দ্রুত আধার আপডেট করা জরুরি।
আপডেটের জন্য কী কী নথির প্রয়োজন?
আধার আপডেট বা সংশোধনের জন্য মূলত আপনার আসল আধার কার্ড, একটি বৈধ পরিচয়পত্র, সঠিক ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং জন্মতারিখের প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখা আবশ্যক। তাই দেরি না করে আজই আপনার নথিটি যাচাই করে নিন।