পুরুষরা যেসব খাবার খেলে বন্ধ্যাত্বের শিকার হতে পারে, বিস্তারিত জানতে পড়ুন

সন্তান না হলে সেই দায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নারীর ওপরই চাপানো হয়। বন্ধ্যাত্ব যে কেবল একজন নারীরই হতে পারে তা কিন্তু নয়, বন্ধ্যাত্ব পুরুষদেরও হয়ে থাকে।
বিশ্বব্যাপী সন্তানহীন দম্পতির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এক সমীক্ষায় জানা গেছে, নারীদের তুলনায় পুরুষের মধ্যে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। যার হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ওজন ও ভুঁড়ি পুরুষের শুক্রাণুর কাউন্ট কমিয়ে দেয়। একইসঙ্গে ধূমপান, মদ্যপানসহ মদকাসক্তির কারণে সন্তান উৎপাদনে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়াও শারীরিক আঘাত ও কিছু ওষুধ ব্যবহারেও শুক্রাণুর কাউন্ট কমে যেতে পারে। এমনকি দীর্ঘক্ষণ কোলে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করলেও শুক্রাণুর কাউন্ট কমে যেতে পারে। তাছাড়া একজন পুরুষের বাবা হওয়ার ক্ষেত্রে বাঁধা হতে পারে কিছু বিষয়। তার মধ্যে রয়েছে খাদ্যাভাসও। এমন কিছু খাবার আছে যা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কোন কোন খাবারের বন্ধ্যাত্বের শিকার হতে পারে পুরুষরা-

>>> বিশেষজ্ঞদের মতে প্রসেসড মিট শুক্রাণুর পরিমাণ কমানোর অন্যতম প্রধান কারণ। বেকন, সালামি, হটডগ, বার্গারসহ বিভিন্ন খাবারে এ ধরনের প্রসেসড মিট ব্যবহার করা হয়।

>>> এক সমীক্ষায় জানা গেছে, রেড মিট বন্ধ্যাত্বের সমস্যার জন্য দায়ী। মুরগির মাংসে অবশ্য এরকম কোনো ফল দেখা যায়নি। তবে ঠিক কী কারণে এমন ঘটনা ঘটে, তা নিয়ে নিশ্চিত নন গবেষকরা।

>>> ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড বা ক্ষতিকর ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদযন্ত্রের সমস্যার মূল কারণ হতে পারে। বর্তমান গবেষণা বলছে, এ ধরনের পদার্থ শুক্রাণুর সমস্যার জন্যও দায়ী।

>>> বর্তমানে যে ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহৃত হয় সেগুলোও শুক্রাণুর সমস্যার জন্য মারাত্মকভাবে দায়ী। সবচেয়ে ভয়ের বিষয় হলো, অধিকাংশ খাদ্যেই এ ধরনের রাসায়নিক মিশে থাকে। যা এড়িয়ে যাওয়া কঠিন।

>>> বর্তমানে গবাদি পশুদের স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়, যার প্রভাব পরে দুধেও। সম্প্রতি ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সীদের উপর করা এক সমীক্ষা বলছে, এ ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য খেলে শুক্রাণুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *