রবিবার মেট্রোয় চরম ভোগান্তি! দক্ষিণ কলকাতার এই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে বন্ধ থাকবে ট্রেন, বেরোনোর আগে রুট দেখে নিন

দক্ষিণ কলকাতার মেট্রো যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর। আগামী ১৭ মে, রবিবার সপ্তাহের ছুটির দিনে ব্লু লাইনের বা নর্থ-সাউথ মেট্রোর একাংশে বন্ধ থাকবে ট্রেন চলাচল। কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনের সংস্কার কাজের স্বার্থে শহিদ ক্ষুদিরাম এবং মহানায়ক উত্তম কুমার (টালিগঞ্জ) স্টেশনের মধ্যবর্তী অংশে একটি ‘ওয়ার্কিং ট্রাফিক ব্লক’ নেওয়া হবে। ফলে ওই দিন এই নির্দিষ্ট রুটে কোনো মেট্রো পাওয়া যাবে না।

মেট্রো রেল সূত্রের খবর, শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশনে ‘রেক রিভার্সাল’ বা ট্রেনের দিক পরিবর্তন করার সুবিধার্থে একটি বিশেষ পরিকাঠামোগত কাজ করা হবে। একই সাথে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশনেও জোরকদমে চলছে আধুনিকীকরণ ও মেরামতের কাজ। এই জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণেই রবিবার ট্রাফিক ব্লক নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

রবিবার কেমন থাকবে মেট্রো পরিষেবা?
মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ১৭ মে রবিবার সম্পূর্ণ রুট বন্ধ থাকছে না। ওই দিন দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশন থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার (টালিগঞ্জ) স্টেশন পর্যন্ত মেট্রো চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে। অর্থাৎ, উত্তর ও মধ্য কলকাতার যাত্রীদের কোনো সমস্যা না হলেও, টালিগঞ্জের পর থেকে কবি সুভাষগামী যাত্রীদের ওই দিন বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হবে।

সোমবার থেকেই স্বস্তি
রবিবারের ধকল কাটিয়ে আগামী ১৮ মে, সোমবার সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন থেকেই ব্লু লাইনের সম্পূর্ণ পথে মেট্রো পরিষেবা আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। সোমবার সকাল থেকে দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত পূর্ব নির্ধারিত সময়সূচি মেনেই ট্রেন চলবে।

কবি সুভাষ স্টেশন নিয়ে বড় আপডেট
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ দিন ধরেই বন্ধ রয়েছে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন। ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই থেকে এই স্টেশনের পুরোনো পরিকাঠামো ভেঙে সম্পূর্ণ নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে। মেগা টার্মিনাল স্টেশন হিসেবে এটিকে গড়ে তুলতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে চারপাশ।

মেট্রো রেলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই কবি সুভাষ স্টেশন থেকে পুনরায় যাত্রী পরিষেবা শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তবে তার আগেই শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশনে ট্রেন ঘোরানোর (রিভার্সাল) ছাড়পত্র মিলে যাওয়ায় মেট্রোর গতি আরও বাড়বে। এর ফলে আগামী দিনে এই লাইনে ট্রেনের সংখ্যা যেমন বাড়ানো যাবে, তেমনই কমবে আমজনতার নিত্যদিনের ভোগান্তি।