ঘর হবে পোকামাকড় মুক্ত! রান্নাঘরের এই ৫টি জিনিস ম্যাজিকের মতো কাজ করবে, জেনে নিন গোপন ট্রিকস

গ্রীষ্মের দাবদাহ শুরু হতেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয় এক চরম অস্বস্তি—পোকামাকড়ের উপদ্রব। মেঝেতে মাছির ভনভন, কোণায় কোণায় মশার গান আর মিষ্টি কিছু রাখলেই পিঁপড়ের হানা! বারবার ফিনাইল দিয়ে মুছেও লাভ হচ্ছে না? বাজারচলতি দামী স্প্রে ব্যবহার করেও স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে?
চিন্তা নেই! আপনার রান্নাঘরে থাকা সাধারণ কিছু উপাদান দিয়েই আপনি আপনার ঘরকে করতে পারেন কীটপতঙ্গ মুক্ত। চলুন জেনে নিই সেই ৫টি জাদুকরী কৌশল:
১. মাছির যম এখন ফিটকিরি
গরমে মেঝে মোছার কিছুক্ষণ পরই আবার মাছির উপদ্রব দেখা দেয়। এখন থেকে দামী ক্লিনার বাদ দিয়ে বালতির জলে সামান্য ফিটকিরি মিশিয়ে নিন। এই জল দিয়ে ঘর মুছলে মাছির বংশ স্রেফ কয়েক সেকেন্ডে গায়েব হয়ে যাবে।
২. মশা তাড়াতে কফির ধোঁয়া
মশা তাড়াতে কয়েল বা লিকুইডে অনেকেরই শ্বাসকষ্ট হয়। বিকল্প হিসেবে একটি পাত্রে কিছুটা কফির গুঁড়ো নিয়ে সামান্য ভেজে নিন। এবার সেই ধোঁয়া সারা বাড়িতে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন, কফির গন্ধে মশা ও মাছি নিমেষেই ঘরছাড়া হবে।
৩. পিঁপড়া বিদায় হবে তুড়িতেই
পিঁপড়া শুধু খাবার নষ্ট করে না, এদের কামড়ে ত্বকে র্যাশ বা চুলকানিও হতে পারে। এদের তাড়াতে ব্যবহার করুন হলুদ গুঁড়ো ও বেকিং পাউডারের মিশ্রণ। যেখানে পিঁপড়ার আনাগোনা বেশি, সেখানে এই মিশ্রণটি ছিটিয়ে দিন। ব্যস! পিঁপড়ার সারি আর দেখতে হবে না।
৪. টিকটিকি এবার হবে কুপোকাত
দেয়ালে টিকটিকির দৌড়ঝাঁপ বন্ধ করতে ন্যাপথালিন বল ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এর তীব্র গন্ধ টিকটিকি সহ্য করতে পারে না। এছাড়া আরও কড়া দাওয়াই চাইলে রসুন ও পেঁয়াজের রস জলে মিশিয়ে স্প্রে করুন; টিকটিকি বাড়ির ত্রিসীমানায় আসবে না।
৫. তেলাপোকা তাড়ানোর অব্যর্থ ওষুধ
তেলাপোকা মুক্ত রান্নাঘর পেতে হলে বেকিং সোডা ও চিনির মিশ্রণ ব্যবহার করুন। চিনির লোভে তেলাপোকা আসবে এবং সোডার প্রতিক্রিয়ায় মারা পড়বে। এছাড়া আলমারির কোণায় তেজপাতা গুঁড়ো ছিটিয়ে দিলেও এর গন্ধে তেলাপোকা দূরে থাকে।