ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে মমতাকে কেজরিওয়ালের ফোন! মোদীকে নিয়ে বড় ভবিষ্যদ্বাণী দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর!

রাত পোহালেই ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। এই মহাযুদ্ধের ঠিক আগেই বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ নতুন মোড় নিল। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে নিজের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানালেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সূত্রের খবর, তাঁদের এই ফোনালাপ কেবল সৌজন্য নয়, বরং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা।
মমতাকে সংহতি কেজরিওয়ালের
কেজরিওয়ালের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্র রক্ষার অত্যন্ত কঠিন লড়াই লড়ছেন। কেন্দ্রীয় সংস্থা ও নির্বাচন কমিশনের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “এই লড়াই ভারতের সংবিধান রক্ষার লড়াই। শেষ পর্যন্ত এই ভোটে নরেন্দ্র মোদীই হারবেন।” নির্বাচনের ঠিক আগের দিন এই দুই হেভিওয়েট নেতার কথোপকথন রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
১৬ জেলায় ‘নিস্তব্ধতা’, বহিরাগতদের বিদায়
মঙ্গলবার বিকেল ৪টে থেকে প্রথম দফার ১৬টি জেলায় বন্ধ হয়েছে সমস্ত রকম প্রচার। জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৬ ধারা মেনে শুরু হয়েছে ‘সাইলেন্ট পিরিয়ড’।
কড়া নজরদারি: জেলা প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হোটেল, লজ ও ধর্মশালায় তল্লাশি চালিয়ে বহিরাগতদের চিহ্নিত করতে।
নিষেধাজ্ঞা: আগামী ৪৮ ঘণ্টা কোনো রাজনৈতিক সভা বা কার্যকলাপ করা যাবে না।
রেকর্ড সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী
অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে কোনো খামতি রাখছে না কমিশন। প্রথম দফায় মোতায়েন করা হচ্ছে রেকর্ড ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
উত্তরবঙ্গ: কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার থেকে শুরু করে মালদহ পর্যন্ত প্রতিটি জেলা মুড়ে ফেলা হচ্ছে নিরাপত্তায়।
জঙ্গলমহল ও শিল্পাঞ্চল: ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও বীরভূমের পাশাপাশি আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটে একাই মোতায়েন ১২৫ কোম্পানি বাহিনী।
অন্যান্য: ইসলামপুর ও রায়গঞ্জ পুলিশ জেলাতেও থাকছে বিশাল বাহিনী।
একনজরে প্রথম দফার লড়াই:
মোট আসন: ১৫২টি।
প্রার্থী সংখ্যা: ১,৪৭৮ জন।
সর্বাধিক প্রার্থী: কোচবিহার দক্ষিণ ও ইটাহার (১৫ জন করে)।
মনোনয়ন: ১,৫২৫টির মধ্যে বৈধ হয়েছে ১,৪৭৮টি।