বাংলায় মোদি-শাহ-যোগীদের মেগা শো! প্রথম দফায় কার ক’টি সভা? ঝোড়ো প্রচারে রেকর্ড গড়ছে বিজেপি

বঙ্গভোটের দামামা বাজার পর থেকেই সরগরম বাংলার রাজনীতি। একদিকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চষে ফেলছেন উত্তর থেকে দক্ষিণ, অন্যদিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়তে দিল্লিতে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করছে না বিজেপি নেতৃত্ব। বিশেষ করে প্রচারের সংখ্যার নিরিখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবার সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছেন।
কার ঝুলিতে কত কর্মসূচি? (একনজরে):
বিজেপির অভ্যন্তরীণ সূত্র অনুযায়ী, প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য প্রচারের যে রূপরেখা তৈরি হয়েছে, তাতে শাহর দাপট সবচেয়ে বেশি:
| প্রচারক | কর্মসূচির সংখ্যা | বিশেষ ভূমিকা |
| অমিত শাহ | ৩০ | রোড শো, জনসভা ও সাংগঠনিক বৈঠক |
| নরেন্দ্র মোদি | ১১ | হাই-ভোল্টেজ মেগা জনসভা |
| যোগী আদিত্যনাথ | ১১ | হিন্দুত্ববাদী ভোটব্যাঙ্ককে সংহত করা |
| জে পি নাড্ডা | ৬ | দলীয় কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি ও সংগঠন দেখা |
| রাজনাথ সিং | ৬ | প্রতিরক্ষা ও অভিজ্ঞতার নিরিখে প্রচার |
| নীতিন গডকরি | ২ | উন্নয়ন ও পরিকাঠামো নিয়ে বার্তা |
অমিত শাহ-র ‘মাস্টারপ্ল্যান’:
সূত্রের খবর, শাহ একাই ৩০টি কর্মসূচি পালন করবেন। এর মধ্যে যেমন বড় জনসভা আছে, তেমনই রয়েছে ছোট ছোট সাংগঠনিক বৈঠক। বাংলার বুথ স্তর পর্যন্ত সংগঠনকে চাঙ্গা করতে এবং কোনও ঝুঁকি না নিতেই শাহর এই ম্যারাথন দৌড়।
মোদি ও যোগীর ‘ডাবল ডিজিট’ ম্যাজিক:
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১১টি জনসভা করবেন। তাঁর প্রতিটি সভা মানেই জনসমুদ্র এবং মিডিয়া ফোকাস, যা বিজেপির প্রচারকে অক্সিজেন দেবে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ১১টি সভাই মূলত নির্দিষ্ট পকেটগুলোতে হিন্দু ভোটকে একজোট করার লক্ষ্যেই সাজানো হয়েছে।
এডিটরস নোট: প্রথম দফার ভোটেই অল-আউট ঝাঁপিয়ে পড়ছে বিজেপি। দিল্লির তাবড় নেতাদের এই উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, এবার বাংলার মাটিতে এক ইঞ্চি জমিও বিনা যুদ্ধে ছাড়তে নারাজ অমিত শাহ-জেপি নাড্ডারা। মমতা বনাম শাহর এই দ্বৈরথ শেষ পর্যন্ত ব্যালট বক্সে কী ফল আনে, এখন সেটাই দেখার।